বিশ্বকাপে জাপানের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে চলছে
ব শ বক প ব র জ – বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানের সামনে অপেক্ষা করছে ব্রাজিল। এই ম্যাচ জাপানের জন্য আসরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে চলছে, কারণ ব্রাজিল পেশাদার ফুটবলের বিকাশে বিশ্বাসের মূল উৎস। চারবারের এশিয়া সেরা দলের লড়াইয়ে জাপান তাদের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হতে চলছে, যেখানে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে চলছে।
ফুটবল বিকাশে ব্রাজিলের প্রভাব বিশাল
১৯৯৩ সালে জাপান নিজেদের পেশাদার লিগ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সেই থেকে ব্রাজিলের কাঠামো অনুসরণ করে তাদের সামগ্রিক খেলনা চালিয়েছে। ব্রাজিলের নামকরা খেলোয়াড়দের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে জাপানের বিভিন্ন ক্লাবে, যেখানে তাদের অভিজ্ঞতা ও মানসিকতা এশিয়ান ফুটবলের উন্নয়নে প্রভাব ফেলেছে।
পরিচিত জিকো অবসর ভেঙে জাপানের একটি ক্লাবে খেলেছিলেন এবং আরও অনেক ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় জাপানে মাঠে নেমেছিল। ১৯৯৪ সালে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের সাতজন খেলোয়াড় জাপানের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছিল।
তিনি বলেন, জাপানের উন্নতি আমি মোটেও অবাক নন। দেশটি ধাপে ধাপে নিজেদের উন্নত করেছে। সব সময় তাদের শৃঙ্খলা প্রশংসার যোগ্য ছিল।
তানাকা মার্কুস তুলিও বলেন, জাপান ও ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়া সেই মুহূর্তের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল জাপানের ফুটবল বিকাশে প্রভাব ফেলেছে, যেখানে তিনি ভাবতেন কবে দুই দল সমান শক্তি নিয়ে মুখোমুখি হবে। তার মতে সেই সময় এখন এসে গেছে।
জাপান ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগে তাদের তিনটি ম্যাচে ভালো খেলনা হয়েছে। গত বছরের অক্টোবরে প্রস্তুতি ম্যাচে জাপান ৩-২ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে, যেখানে জাপান কিংবদন্তি খেলোয়াড় জিকোর অধীনে দুই দলের মধ্যে ৪-১ গোলে হেরেছিল।
বিশ্বকাপে জাপানের জন্য এখন বিকাশের নতুন সুযোগ হতে পারে। খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি, অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস সব মিলিয়ে ব্রাজিলকে হারানোর চাইতে হবে তাদের আসরের শিরোপা লড়াইয়ে।
১৯৯৬ সালে অলিম্পিকে জাপান ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের ইতিহাস গড়েছিল, যেটি আজও ‘মায়ামির অলৌকিক ঘটনা’ নামে পরিচিত। গত চার বছরে জাপান কিছু শক্তিশালী দলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তারা এখন দুই দলের মধ্যে লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেখছে।
