Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বিশ্বকাপে মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন ইরানের রামিন রেজায়িয়ান | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Charles Jones - patrikajournal.com

Foto : Charles Jones - patrikajournal.com

বিশ্বকাপে মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন ইরানের রামিন রেজায়িয়ান

Patrikajournal.com – ব শ বক প ম স ক - বিশ্বকাপ পাওয়ার র‍্যাংকিংয়ে ইরানি রাইট-ব্যাক রামিন রেজায়িয়ান বিশ্ব তারকা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ড কিংবা হ্যারি কেইনের মতো জাতীয় তারকাদের ভিড়ে রেজায়িয়ান বিশ্বকাপে স্বল্প বয়সে স্থান দখল করেছেন ১৯.৯৩ পয়েন্টের অসাধারণ ফলাফল। এই পয়েন্ট তার স্কোরে মেসিকে ০.০৭ পয়েন্টে ছাড়িয়ে গেছে, যে কারণে তিনি এখন পর্যন্ত মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়া একমাত্র ফুটবলার হিসেবে চুন পেয়েছেন। বিশ্বকাপে তার আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণভাগে অবদানের ভিত্তিতে নির্ধারিত পাওয়ার র‍্যাংকিংয়ে তিনি শীর্ষে উঠেছেন।

বিশ্বকাপে বিস্ময় ছাড়িয়ে যাওয়া মূল্যায়ন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের ম্যাচটি রেজায়িয়ানের উত্থানের মূল ভূমিকা রাখে। সেদিন তিনি প্রায় প্লে-মেকারের ভূমিকায় খেলে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেন। এই পারফরম্যান্সের ফলে আক্রমণে ৬.৭৬, সৃজনশীলতায় ৮.২৩ ও রক্ষণে ৪.৯৪ রেটিং পেয়ে তিনি সারাদলে পরিচিত হন। বিশ্বকাপে রেজায়িয়ানের পারফরম্যান্স নির্দিষ্ট ম্যাচভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বিশ্লেষিত হয়েছে, যেখানে তার ক্রিয়াশীলতা ও সাহস সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রতিযোগিতার স্বাক্ষর রেজায়িয়ানের জীবন

উত্থানের পর রেজায়িয়ান বর্তমানে এস্তেগলালের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন, কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আক্রমণ গড়ে তোলার দক্ষতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তিনি বেলজিয়ামের কেভি ওস্টেন্দ ও কাতারের আল-শাহানিয়া, আল-দুহাইল ও আল-সাইলিয়ার হয়ে খেলেছেন। প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করা ও ফ্রি-কিক দিয়ে গোল উদযাপনে তার আত্মবিশ্বাস বিশ্বকাপের সামান্য ক্ষেত্রে স্পষ্ট হয়েছে।

২০১৮ বিশ্বকাপে তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে মাঠের একটি জনপ্রিয় কথোপকথন নিয়ে বেশ পরিচিত। রোনালদোকে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, "ম্যাচ চলাকালে ভালো না লাগলে অন্য পাশে গিয়ে খেলো।" এটি তার ক্রীড়া সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের সম্পর্কে একটি বিশেষ দৃষ্টিকোণ। বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স অনুসারে তিনি আবারও মাঠে ময়দানে পরিচিত হয়েছেন তার বিস্ময় ফুটবলের জন্য যার একটি কারণ হলো তার প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সাহস।

রেজায়িয়ানের ক্যারিয়ারে ইরানের জনপ্রিয় ক্লাবগুলো পার্সিপোলিস, সেপাহান ও এস্তেগলালে হয়ে খেলেছেন। যেহেতু তিনি ডিফেন্ডার হিসেবে পরিচিত, কিন্তু ক্যারিয়ারের বড় সময় তিনি উইঙ্গার বা আক্রমণভাগে ক্রীড়া করেছেন। তার এই পারফরম্যান্স বিশ্বকাপে স্বল্প বয়সে তার সাহসের পরিচয় দিয়েছে।

২০১৫ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর এটি তার তৃতীয় বিশ্বকাপ। প্রতিযোগিতার সময় তিনি ওয়েলসের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে দৃষ্টিনন্দন চিপ �