News

বিশ্বকাপ মাতাতে বিজ্ঞানীদের আট বছরের ‘ঘাস সাধনা’ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিশ্বকাপ মাতাতে বিজ্ঞানীদের আট বছরের ‘ঘাস সাধনা’ ব শ বক প ম ত ত - ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ফুটবল খেলোয়াড়দের পায়ের নিচের সবুজ ঘাস হল স্বাভাবিক

Desk News
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিশ্বকাপ মাতাতে বিজ্ঞানীদের আট বছরের ‘ঘাস সাধনা’

ব শ বক প ম ত ত – ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ফুটবল খেলোয়াড়দের পায়ের নিচের সবুজ ঘাস হল স্বাভাবিক তারকাদের সাথে সমান মর্যাদাপূর্ণ পিচ তৈরি করার ক্ষমতা নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন সামগ্রিক গবেষণার কথা হচ্ছে। এই মাত্রার প্রতিযোগিতায় বিশ্বের সবচেয়ে উপযুক্ত ঘাস তৈরি করতে বিজ্ঞানীদের আট বছর ধরে দিনরাত কর্ম করতে হয়েছিল। ফিফার নির্দেশনার প্রতিযোগিতায় দুই শতাধিক সফল পরীক্ষা ও অসাধারণ প্রযুক্তি মাধ্যমে এই অভিনব মাঠ গড়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপ মাঠের পিচ নিরাপদ ও নিখুঁত করতে নিয়েছে প্রাকৃতিক ঘাসের সাথে কৃত্রিম প্লাস্টিক ফাইবারের মিশ্রণ। এটি কৃত্রিম ঘাস বিছানো স্টেডিয়ামে আলোচনার মাধ্যমে মাটির সমতা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা সম্ভব করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি ও মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নেতৃত্বে প্রাকৃতিক পরিবেশের চ্যালেঞ্জ দূর করতে এই আবিষ্কার সম্পন্ন হয়েছে।

আট বছর আগে বিজ্ঞানীদের গবেষণার সংক্ষিপ্ত কথা এই যে, খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও মাঠের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে বিশেষ ঘাস মিশ্রণ তৈরি করতে হয়েছিল। কেন্টাকি ব্লুগ্রাস ও পেরেনিয়াল রাইগ্রাসের সঠিক অনুপাত নিয়ে যে ধরনের মাঠ প্রস্তুত হয়েছে তা বৈচিত্র্যময় জলবায়ু সম্পর্কে সমান স্থিতি বজায় রেখেছে। এই ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে না গিয়ে পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে মাঠ শক্ত ও প্রাকৃতিক ধরনের প্রাপ্তি হয়েছে।

গবেষণার সবচেয়ে মূল প্রতিবেদন ছিল যে ভেন্যুগুলোতে কৃত্রিম তন্তু মিশ্রণ করে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর এক জায়গায় এতটা বিভিন্ন জলবায়ু সম্পর্কে সমান গুণে স্টেডিয়াম সেট বাড়িয়ে তুলতে গেছেন বিজ্ঞানীরা। ভ্যানকুভারের ঠান্ডা থেকে মেক্সিকোর গরম পর্যন্ত সমান পিচ সৃষ্টি করতে গেছেন বিশেষজ্ঞরা।

টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হল কয়েকটি ইনডোর স্টেডিয়ামে পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পৌঁছানো। সেখানে প্রাকৃতিক ঘাস বাঁচানো একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ ছিল। সেই জন্য বিজ্ঞানীরা এক নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করেন যাতে প্লাস্টিক চাদরের ওপর বালু স্তর তৈরি করে ঘাস চাষ করা সম্ভব হয়।

“আমাদের আবিষ্কার কেবল ২০২৬ বিশ্বকাপের মান বাড়াবে না, বরং ভবিষ্যতের ক্রীড়া জগতে মাঠ ব্যবস্থাপনার ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে।”

গবেষণার সমাপ্তির পর ঘাস সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়েছে। প্রতিটি ম্যাচের আগে মাঠের তাপমাত্রা ও ঘনত্ব মাপে একটি হাই-টেক রোবোট মেশিন ‘ফ্লেক্স’ ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা সমান শক্ত ভাব নিশ্চিত করছেন। প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিবেদন মাধ্যমে খেলোয়াড়দের কোনো ইনজুরির কারণ হওয়া না দেখার জন্য এই ঘাস কার্যকর করছে সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে �

Leave a Comment