পটুয়াখালীতে মানববন্ধনে ভাগাড় অপসারণ দাবি
ব শ ব পর ব শ দ পটুয়াখালী পৌরসভার লোহালিয়া ইউনিয়নের ইদ্রাকপুর গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দারা স্থায়ী ভাগাড় অপসারণের দাবি তুলে মানববন্ধন করেছেন। এ অভিযোগে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে শিশু পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য, কিন্তু তার পরিবর্তে তার অস্থায়ী বর্জ্য ফেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে গ্রামের মানুষ দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের মুক্তি পেতে পারছেন না।
মানববন্ধনে উপস্থিত বাসিন্দাদের দাবি পরিবেশ বান্ধব ডাম্পিং জোন স্থাপন করা আবশ্যক। তাদের অভিযোগ স্থানীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার প্রমাণ রয়েছে। কর্মকর্তারা তিন বছর আগে এলাকায় স্থায়ী বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা গেছে, কিন্তু এখন তা বাস্তবায়ন হয়নি।
২০২২ সালে জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জানানো হয়েছিল। তখন জমি মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানালেও আশ্বাস দেওয়া হয় যে সেখানে শিশু পার্ক নির্মাণ হবে। কিন্তু এখন সেই জমি ভাগাড় অপসারণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
“বর্তমানে আমাদের বাড়ির সামনে ভাগাড় ছড়িয়ে পড়া ময়লা দুর্গন্ধ সৃষ্টি করছে। আমার সন্তান শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছে এবং বিষাক্ত বাতাস গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য বিপন্ন করছে।” – স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান প্যাদা
বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাগাড় থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধ বা পরিবেশ দূষণ কোনও উপায়ে কমানো হয়নি। তার পাশে ময়লা ফেলার কারণে গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পরেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
“বায়তুর নূর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো. এনায়েত কবীর বলেন, ভাগাড় আশপাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ রয়েছে। তাদের পরিবেশ নষ্ট করার অপরাধ কোনও বিশেষ উপায়ে কমানো হয়নি।”
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আপত্তি
২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে লোহালিয়া এলাকায় আধুনিক ডাম্পিং জোন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। কর্মকর্তারা বলেন নতুন স্থানে বর্জ্য ফেলা হলে বর্তমান ভাগাড় অপসারণের কাজ বাতিল করা হবে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে তথ্য পেতে মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
