মধ্যপাড়া খনি বন্ধ হয়েছে, বিস্ফোরক সংকট দেখা দিয়েছে
ব স ফ রক স কট বন – দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনিতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সম্প্রতি কম হয়ে আসায় পাথর উত্তোলন কাজ এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। খনি কর্তৃপক্ষ জানায়, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে উত্তোলন কার্যক্রম পুনরারম্ভ করা সম্ভব।
খনির পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়েছে দেখা গেছে ১৯ মে সকাল থেকে। খনি কর্তৃপক্ষ এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ চালু করতে আশা করেছিলেন, কিন্তু তা সম্পূর্ণ হয়নি।
অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট একটি এক্সক্লুসিভ পণ্য। তাই পানি পথে আনতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের কারণে জাহাজ পেতে দেরি হয়েছে। সে কারণে বিস্ফোরক আনতেও সময় লাগছে। এটি সিংহাপুরের পথে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে তা চট্টগ্রাম পোর্টে পৌঁছে যাবে। আশা করা হচ্ছে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে খনির কাজ চালু হবে।
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন জানান, ৩০০ টন বিস্ফোরকের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৮৮ টন আসবে যে দিন থেকে খনির কাজ কিছুটা চালু হবে। তার মাধ্যমে দুই থেকে আড়াই মাস চলবে। পর্যায়ক্রমে বাকি সব বিস্ফোরক আসবে।
অতিক্রম করা যায় না হওয়া কারণে বিস্ফোরক দ্রব্যটি বাজারে আগে থেকে মজুত করা যায় না। বিস্ফোরক বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলছে। পাথর বিক্রি কাজও চলছে, কিন্তু প্রাপ্ত সাইজের দিকে নয় কিছুটা কম হয়েছে।
খনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে পাথর উত্তোলন কার্যক্রমের দায়িত্ব তাদের। গত কয়েক বছরে মধ্যপাড়া খনি ভূগর্ভ থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল চার দফায়: ২০২২ ও ২০২৫ সালে সংকটের কারণে বন্ধ ছিল। ২০১৪ সালে দুই মাস বন্ধ, ২০১৫ সালে আড়াই মাস বন্ধ ছিল।
প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টন পাথর উত্তোলন করা হয় চুক্তি অনুযায়ী। খনির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন শিফটে প্রায় ৮০০ শ্রমিক। মধ্যপাড়া খনির প্রতিদিন উত্তোলন কার্যক্রম পুনরারম্ভের আশাধারা সম্প্রতি দেখা গেছে।
খনি বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন কাজ শুরু করে ২০০৭ সালের ২৫ মে। প্রথম দ
