Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ব্লাস্ট প্রতিরোধী উচ্চফলনশীল ব্রি ধান-১১৪ নিয়ে গাজীপুরে মাঠ দিবস | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 22, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Jones - patrikajournal.com

Foto : Karen Jones - patrikajournal.com

গাজীপুরে ব্লাস্ট প্রতিরোধী ব্রি ধান-১১৪ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

Patrikajournal.com – ব ল স ট প রত র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্রি ধান-১১৪ জাতটি পরীক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে গাজীপুরের কালীগঞ্জে সাবেকি করেছেন। এই ধান জাতটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ এবং উচ্চ ফলন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছে, যা কৃষকদের আর্থিক সুবিধার সাথে সামাজিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে।

প্রকল্পের বিশেষ বৈশিষ্ট্য

বৃহস্পতিবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর এলাকায় কৃষকদের সমাবেশে বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ধানে ব্লাস্ট রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, ব্রি ধান-১১৪ জাতটি প্রতিকূল আবহাওয়াতেও স্থিতিশীল ফলন নিশ্চিত করতে সক্ষম। কৃষি ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব স্থান করেছে এ ধান জাতটি কালীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গৃহীত হয়েছে।

ব্রি ধান-১১৪ এর গাছ খাড়া, মজবুত এবং উচ্চ ফলন বজায় রাখতে সক্ষম। পাতাগুলো গাঢ় সবুজ এবং প্রশস্ত হওয়ায় বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। এই জাতটির জীবনকাল গড়ে ১৪৩ দিন এবং হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৭ দশমিক ৭৬ টন হয়।

কৃষকদের প্রতিক্রিয়া এবং বিশ্লেষণ

বিজ্ঞানীদের মতে, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ বৈশিষ্ট্য সহ এই ধান জাতটি কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিচর্যা করা হলে হেক্টরপ্রতি ১০ দশমিক ২৩ টন পর্যন্ত ফলন সম্ভব। এর দানা মাঝারি মোটা ও সোনালি রংয়ের হয়। চালের রং সাদা হওয়ায় ভাত সুস্বাদু হয়।

আমি ২০ শতাংশ জমিতে ব্রি ধান-১১৪ আবাদ করে আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। এর আগে সরিষা চাষ করে দুই মণ ফলন পেয়েছিলাম। ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ থেকে আমি রক্ষা পেয়েছি। ফলন স্বাভাবিক হয়েছে।

ব্রি ধান-১১৪ এর অ্যামাইলোজ পরিমাণ গড়ে ২৭-২৮ শতাংশ এবং প্রোটিন পরিমাণ গড়ে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ হয়। এই ধান জাতটি পরিবেশের বিপর্যয়ে সহজে সামঞ্জস্য বিস্তার করে এবং ধান চাষের সম্ভাবনা উন্নয়ন করে। এই বিশেষ জাতটি চাষকারীদের বিপদে সম্মুখ দাঁড় করিয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।