ভিভিড সিডনির আলোয় প্রবাসীদের জন্য একটি আনন্দঘন নৌবিহার
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম এবং বিডি হাব সিডনি আয়োজন করেছে মিলনমেলা
ভ ভ ড স ডন র আল – ভিভিড সিডনির আলোয় অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম (এবিবিএফ) এবং বিডি হাব সিডনি একটি অনন্য মিলনমেলা আয়োজন করেছে। সিডনি হারবারে চার ঘণ্টার মতো চলমান এই আয়োজনে দুই সংগঠনের সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করার প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। এই বৃহত্তর উৎসব বাংলাদেশী প্রবাসীদের সাথে সম্পর্ক গঠনের জন্য অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম এবং বিডি হাব সিডনি একত্রিত হয়েছে।
সন্ধ্যা সোয়া ৬টার সময় কিং স্ট্রিট ওয়ার্ফ-৩ থেকে জেরি বেইলি নৌযানে যাত্রা শুরু হয়। ভিভিড সিডনির আলোয় প্রবাসীদের জন্য এই মিলনমেলার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক সংযোগ গড়ে তোলা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা। উপস্থিত কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়া অনুসারে আয়োজনটি অনেকের জন্য উপহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনুভূত হয়েছিল।
আবদুল খান রতন বলেন, “ভিভিড সিডনির আলোয় প্রবাসীদের সাথে সংযোগ সৃষ্টি করা এবং কমিউনিটির বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করা আমাদের সর্বোচ্চ লক্ষ্য।”
বিডি হাব সিডনির সহ-সভাপতি সোহেল খান এবং এবিবিএফ এর অন্যতম প্রতিনিধি আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যের বর্ণনা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে আগামী বছরের চাঁদ রাতে আবার একটি পরিচয় গড়ে তোলার মিলনমেলা আয়োজন করা হবে। আয়োজনটিতে অতিথিদের জন্য স্ন্যাকস, রাতের খাবার ও বিভিন্ন ধরনের জুস প্রদান করা হয়। এই আয়োজনে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মধ্যে উৎসাহ ও সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছিল।
প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রতিক্রিয়া
প্রবাসীদের মধ্যে এই মিলনমেলার প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সম্প্রসারণমূলক ছিল। উপস্থিত ব্যক্তিদের সংখ্যা কম নয় সামান্য কম হয়েছিল কিন্তু আলোচনার সুবিধা প্রাপ্ত হয়েছিল। বাংলাদেশী প্রবাসীদের সাথে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম এবং বিডি হাব সিডনি এই প্রবাহ সৃষ্টি করেছে। মিলনমেলার সময় বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রকাশনা প্রদর্শিত হয়। যেমন বাংলাদেশী খাবার এবং সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ভিভিড সিডনির আলোয় একটি মূল্যবান অনুষ্ঠান হিসেবে প্রবাসীদের জন্য সৌন্দর্যপূর্ণ আসর সম্পন্ন হয়েছিল। এই উৎসব দুই সংগঠনের এক মুহূর্ত বিশেষ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আবদুল খান রতন আরও বলেন, “ভিভিড সিডনির আলোয় আমরা প্রবাসীদের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি যা কমিউনিটি গঠনের সাথে সম্পৃক্ত।” কমিউনিটি গঠনের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে প্রবাসীদের মধ্যে সংহতি বাড়ানো সম্ভব হয়।
এই আয়োজনের সফলতা অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বি�
