ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানার অর্থদণ্ড
ভ জ ল খ দ যপণ য – ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানার অর্থদণ্ড ব্যবস্থায় ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অপারেশনে দুটি কারখানার প্রতি প্রাপ্তি বিনষ্ট করে মোট সাত লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য ভেজালের জন্য দুটি ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে প্রতি দুই লাখ টাকা শাস্তি দেওয়া হয়। বিশেষ করে খাদ্য উপাদানের মান আদান-প্রদান করা হয়েছে যা খাবারে প্রতিশ্রুতি বিপন্ন করে।
র্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক তাপস কর্মকার এ খবর প্রকাশ করেন যে আবু হাসানের পরিচালনায় খাদ্য বিপাকের জন্য এ কার্যক্রমে প্রতিদিন খবর একটি পত্রিকার সহযোগিতায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনটি এ অভিযানে কারখানার চালানে প্রতিশ্রুতি বিপন্ন করার চেষ্টা করেছে এবং তার কারণে খাদ্য ভেজালের জন্য সাত লাখ টাকা অর্থদণ্ড আকারে নিয়ে আসা হয়েছে।
ইতিহাস
ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানার অর্থদণ্ড ব্যবস্থা বাংলাদেশে বছরের পর বছর ধরে কার্যকর হচ্ছে। এ ধরনের অপারেশন বিশেষ করে খাদ্য উপাদানের মান আদান-প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরিখ করতে সাহায্য করে। র্যাব-১০ এর সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের পরিচালনায় কারখানার কর্মকর্তাদের মধ্যে কে কত অর্থদণ্ড পাচ্ছে তা প্রকাশ করা হয়েছে।
খাদ্য উপাদানের প্রাপ্তি আদান-প্রদান করা হয়েছে যা বিপুল পরিমাণে খাদ্য ভেজালের জন্য দুটি ব্যক্তিকে প্রতি দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে খাবার নিয়ন্ত্রণের জন্য খাদ্য ভেজালের মান বিনষ্ট করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানা চালানের জন্য অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।
সম্প্রতি ঘটনা
অভিযানের সম্প্রতি ঘটনায় প্রতিদিন খবর সংবাদ মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। কারখানার কর্মকর্তাদের মধ্যে দুটি ব্যক্তির জরিমানা করা হয়েছে যা ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানার অর্থদণ্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে খাবার বিপাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের নেতৃত্বে কারখানার খাবারে ভেজাল বিনষ্ট করা হয়েছে।
র্যাব সদর দপ্তরে কারখানার খাবারে ভেজাল উপাদান আদান-প্রদান করে। তাপস কর্মকার গত রাতে প্রকাশ করেন যে খাবারে ভেজালের কারণে দুটি ব্যক্তিক
