মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা জাতিসংঘ মহাসচিবের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য আবারও যুদ্ধ ঝুঁকির মুখে পড়েছে
মধ যপ র চ য আব রও – মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি আগামী দিনগুলোতে এই অঞ্চলে সংঘাত প্রসারিত হতে পারে বলে চিন্তা করেন। ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য আবারও গুরুতর সংকটের মুখে পড়েছে। গুতেরেস বলেন, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ যুদ্ধের পরিণতি হতে পারে।
“আমাদের ধরে নিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ছোট আগুন বড় আগুনে পরিণত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে,” জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন।
তানাজিসংঘ বৈঠকে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা উঠেছে
তানাজিসংঘের বৈঠকে আবারও মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গুতেরেস এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘটনাসারী হামলার ফলে সম্পূর্ণ যুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কোনও ভুল পদক্ষেপ করা হলে তা আন্তর্জাতিক সংঘাতের পরিণতি হতে পারে।
গুতেরেস আরও মন্তব্য করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকি কম করতে চাইলে সমস্ত পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা অপরিহার্য। সে ক্ষেত্রে তারা সংখ্যালঘু সংঘাত থেকে বাঁচতে পারে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আবারও মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের প্রতি সতর্ক ভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জটিলতা বাড়ছে
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। তানাজিসংঘের সদস্যদের মধ্যে গুরুতর ভিন্নতা দেখা দিলে সেটি এখনও আরও গুরুতর হতে পারে। গুতেরেস আশঙ্কা করেন যে এই ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাতার যুদ্ধ ঘটাতে পারে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের পরিণতি হলে সম্পূর্ণ অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব এই সময়ে বিশেষ আন্তর্জাতিক ক্রমে সংকট কমাতে চাইছেন।
তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকি সামনে রয়েছে। এই সংঘাত ঘটার জন্য তিনি আরও আগ্রহী হয়েছেন।” গুতেরেস আশঙ্কা করেন যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত গুরুতর হতে পারে। এই সমস্যার পরিণতি মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে পরিণত হতে পারে।
সংবাদ সময় বিভাগ
১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ২ ঘণ্টা আগে | নগর �
