Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মার্কিন সামরিক ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে : পেন্টাগন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Barbara Hernandez - patrikajournal.com

Foto : Barbara Hernandez - patrikajournal.com

মার্কিন সামরিক ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে : পেন্টাগন

Patrikajournal.com – ম র ক ন স মর ক - পেন্টাগন থেকে এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের ব্যয় ইতোমধ্যে প্রায় ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়ে উঠেছে। এই ব্যয়ের মধ্যে সামরিক সরঞ্জামের মেরামত ও প্রতিস্থাপন এবং অপারেশনাল খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গত মাসের শেষ দিকে ব্যয় পূর্ববর্তী হিসাবের তুলনায় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে যে, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধের ফলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ তাদের নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

সামরিক সূত্র থেকে জানা গেছে, এ অবরোধের উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলের নিরাপত্তি নিশ্চিত করা এবং ইরানের সামুদ্রিক কার্যক্রম সীমিত করা।

তেহরান জানিয়েছে যে, তারা হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজের চলাচল অনুমোদিত হচ্ছে না বলে আল-জাজিরা জানায়। ইরানি কর্তৃপক্ষ এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে ‘আগ্রাসনমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং নিজেদের সার্বভৌম অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।

অপর তরফে, এ অবরোধের ফলে চারটি জাহাজ অচল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়। ইরানের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেশ করেছে তেহরান, যেখানে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, তারা সর্বদা নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।

আল-জাজিরা হতে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে যে, এ অঞ্চলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্রমাগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মুখোমুখি খরচ

পেন্টাগন থেকে জানা গেছে, সামরিক অভিযান সংক্রান্ত খরচ বাড়ানো হচ্ছে। গত মাসের শেষ দিকে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে বলে জানা গেছে, যা সরঞ্জাম মেরামত এবং অপারেশনাল খরচের কারণে ঘটেছে।

হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে তথ্য প্রসারিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো তাদের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। এ অবরোধ দ্বারা ইরানের সামুদ্রিক কার্যক্রম সীমিত করার প্রয়াস চলছে।

তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলে তেহরান জানিয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের