মেট্রোরেল চলাচলের সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব
ম ট র র ল চল চল এবং সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পরিবহন প্রণালী সম্পর্কে সাম্প্রতিক আলোচনার মূল বিষয়। বুধবার (৩ জুন) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে যে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় বৃদ্ধি করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই পরিবর্তন দ্বারা যাতাযাত সুবিধা বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে সকাল ও রাত পর্বে প্রতিদিন অনেক বাসিন্দার জন্য অপেক্ষার সময় কমানো সম্ভব হবে।
বর্তমানে উত্তরা ও মতিঝিল স্টেশনে সর্বশেষ ট্রেনের সময় সীমিত ছিল। উত্তরা থেকে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত সাড়ে ৯টায় এবং মতিঝিল থেকে ছেড়ে যায় রাত ১০টা ১০ মিনিটে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী উত্তরা থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে এবং মতিঝিল থেকে ছাড়বে রাত সাড়ে ১০টায়। এই পরিবর্তনে প্রতিদিন দুই মিনিট সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে শহরের উপর স্থায়ী বৃদ্ধি হবে। যাতাযাতকারীদের বলা হয়েছে যে এই সময় বৃদ্ধি দ্বারা বাসিন্দারা আরও বেশি সুবিধা পাবে, যেহেতু ম ট র র ল চল সময়ে তাদের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হবে।
DMTC এর একজন কর্মকর্তা জানায় যে উত্তরা ও মতিঝিল প্রান্ত থেকে সর্বশেষ ট্রেনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই পরিবর্তন বাস্তবায়নের পর বৃদ্ধি হওয়া সময় পরিবহন প্রণালীর জন্য বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
যাতাযাত প্রণালী বৃদ্ধির কারণ
মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয় ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর। শুরুতে এমআরটি লাইন-৬ রাজধানীর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে সীমিত পরিসরে ট্রেন চলাচল করত। পরে স্টেশন চালু করা হয় এবং সেবা প্রসারিত হয়। সবশেষে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হয়। তবে এই সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয় যাতে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতাযাত সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়। যে বিষয়টি দ্বারা ম ট র র ল চল চল এবং পরিবহন প্রণালী সম্পর্কে আলোচনা বিস্তার পেয়েছে।
পরিবর্তন অনুযায়ী মেট্রোরেলের চলাচলের সময় বৃদ্ধি করার মাধ্যমে মাঠে ময়দানে যাতাযাত সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই সময়ের মধ্যে নতুন কোনো ট্রেন যুক্ত করা হচ্ছে না, যার ফলে যাত্রীদের সময়ের বৃদ্ধি দ্বারা ম ট র র ল চল চল এবং সুবিধা কম হবে। এটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতাযাত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে মেট্রোরেল সেবা বৃদ্ধি করা হবে যাতে বাসিন
