Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যশোরে মাদক মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের দুই বছরের কারাদণ্ড | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

যশোরে মাদক মামলায় দুই বছর ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Patrikajournal.com – যশ র ম দক ম মল য় - যশ র ম দক ম মল য় আদালতের নির্দেশে দুজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনকে দুই বছর কারাদণ্ড করা হয়েছে। যশোরের শার্শার বিশেষ দায়রা জজ এস এম নূরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষমতার অপচয়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে জরিমানা ও কারাদণ্ড আদেশ জারি করা হয়।

মামলার পটভূমি ও ঘটনা

২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতে শার্শার পাঁচভুলট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে রাজগঞ্জ গ্রাম থেকে ৮৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। তদন্ত শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি।

তদন্ত প্রক্রিয়ায় পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আদালত সাজা পরোয়ানা জারি করে। যশ র ম দক ম মল য় মামলায় প্রতিটি আসামির দায়বাজি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিচারকের রায়ে তাদের জরিমানা এবং কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়।

আদালতের নির্দেশনা

সাক্ষ্যগ্রহণ এবং শুনানি প্রক্রিয়া শেষে যশ র ম দক ম মল য় আদালত রায় প্রকাশ করে। দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরেক আসামিকে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিচারক নির্দেশ দেন যে মাদক প্রতিরোধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে পুনরায় অপরাধ করতে দেওয়া হবে না। যশ র ম দক ম মল য় এ নির্দেশ স্থায়ী প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়। এ মামলায় ক্ষমতার পুনরুৎসর্গি করা হয়েছে বলে আদালত ঘোষণা করে।

যশ র ম দক ম মল য় প্রতিদিনের বিশেষ খবরে প্রকাশিত হয়েছে যে পুনরায় মাদক সাজার জন্য বিচারকের সিদ্ধান্ত স্থায়ী হয়েছে। যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে আসামিদের জন্য কড়া নীতিমালা অবলম্বন করা হয়েছে।

মামলার প্রভাব স্থানীয় সমাজে বিশেষ চাপ সৃষ্টি করেছে। যশ র ম দক ম মল য় মামলার মাধ্যমে মাদক বিপননের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের চেতনা বৃদ্ধি করার লক্ষ্য পূরণ করা হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত পরিপ্রেক্ষে মাদক বিপননকারীদের সম্মুখীন হওয়া জরুরি বলে মনে করা হয়।