যুবককে বিদেশে নিয়ে জিম্মি, টাকা আত্মসাৎ
য বকক ব দ শ ন য় – সিদ্ধিরগঞ্জ জেলার একটি স্থানীয় চক্র বিরুদ্ধে যুবককে বিদেশে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। মো. রায়হান শরীফ নামের যুবকটিকে পাপুয়া নিউগিনিতে নিয়ে গিয়ে তার পাসপোর্ট আটক করা হয়েছিল এবং তার বেতন সহ প্রায় ৩৪ লাখ টাকা স্বীকৃত করে নিয়েছে অভিযুক্তরা। পরিচিত বন্ধুদের সহায়তায় যুবকটিকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পর তার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলা হয়। এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তার পরিবার আদালতে মামলা করেছে যে সিদ্ধিরগঞ্জ আমলি আদালতে।
স্থানীয় চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আসামি হলেন সাইফুল মণ্ডল (৩৬) এবং তার স্বাচ্ছন্দ্যে বিথী আক্তার। তারা যুবকের আগ্রহ ব্যবহার করে বিদেশে চাকরি ও ব্যবসার প্রলোভন দেখান। তারা প্রথমে যুবককে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ প্রস্তাব দেন। এরপর তার পাসপোর্ট আটক করে রাখা হয় এবং যুবককে বিদেশে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ ধরনের স্থানীয় চক্র বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে পরিচিত রয়েছে।
প্রক্রিয়া ও আদালতের তদন্ত
পরিবার পক্ষ থেকে মামলা করে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আদালতে তদন্ত চালু করা হয়েছে। মামলার প্রসঙ্গে আসামি দুই জনে পরিচিত বন্ধু হিসেবে ব্যবহার করে যুবকটিকে বিদেশে নিয়ে চাকরি ও ব্যবসার প্রলোভন দেখান। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যুবকটি স্বীকৃত করে বিদেশে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। মামলার সমাধানের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি কর্মকর্তারা তদন্ত করছে।
এই ঘটনার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ে সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। যুবকটি কেন্দ্রীয় আদালতে প্রতিবেদন দেখায় এবং যুবককে বিদেশে নিয়ে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করার কারণগুলো বিস্তারিত করা হয়েছে। পরিচিত বন্ধুদের সাথে সম্পর্কের কারণে যুবকটি নিজেকে একটি নতুন ভবিষ্যত হাজির করার প্রলোভন খায়। এরপর তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
বিদেশে নিয়ে যাওয়া প্রক্রিয়া
যুবকটি বিদেশে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কীভাবে চলেছিল তা পরিবারের বর্ণনায় প্রকাশ পেয়েছে। তারা প্রথমে একটি কৌশল ব্যবহার করে বিদেশে চাকরি করার সুযোগ তৈরি করে। পরবর্তীতে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য টাকা জমা করার আহ্বান দেওয়া হয়। অভিযুক্তরা যুবককে বিদেশে নিয়ে গেলে তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত চিন্তিত রয়েছেন। যুবকটি এখন বিদেশে থাকা পরিস্থিতিতে তার পরিবারের প্রতি বিশেষ দুঃখ প্রকাশ করেন। তার মাতা সুনাম বান্দী জানান যে যুবককে বিদেশে নিয়ে জিম্মি করার পর তার বেতন সহ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তিনি বলেন, এটি আমাদের সম্পূর্ণ সম্পত্তি বিনষ্ট করেছে।
আদালতের নির্দেশ ও পুলিশের কাজ
আদালত সম্প্রতি মামলাটি আমলে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে
