Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 7, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

বাংলাদেশ হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার সুযোগ হারিয়েছে

Patrikajournal.com – রক ষণ র ভ ল হ য - সামনে রয়েছিল সাফ ফাইনালে দক্ষিণ এশিয়ার দুই সেরা দলের বিপক্ষে লড়াই। বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিদ্বন্দ্বিত্বে তাদের অভিজ্ঞতার মুখে পরাজয় মেনে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। দ্বিতীয় অর্ধে রক্ষণের দুর্বলতার কারণে ভারত ট্রফি ফিরিয়ে নিয়েছে।

প্রথমার্ধে সমানতা রেখেও বিপক্ষে ঝুঁকিমুখী হয়েছিল বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মূল একাদশ শুরুতে সুযোগ মিস করে। আফঈদা খন্দকারের মারাত্মক ভুলে প্রথম গোলের সুযোগ নষ্ট হয়েছে। ঋতুপর্ণা চাকমার ক্রস দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল, কিন্তু তহুরা খাতুন ছোট বক্সে বল প্রাপ্ত করতে পারেনি। দুই মিনিট পর আবারও তহুরার শট ব্যর্থ হয়।

তবে পরের মিনিটে ভারত আর ভুল করেনি।

২৩ মিনিটে আনিকার দূরপাল্লার শট ঝাপিয়ে পড়ে কর্নার করে দেন ভারতের গোলকিপার পান্থই চানু। ঋতুপর্ণা চাকমার ক্রসে শট গোলে আসে নি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে ভারত জয় লাভ করে।

দ্বিতীয় অর্ধে রক্ষণের ভুল অবদান ছিল

পিটার বাটলার কোচ শুরুতে দুই খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন। সেমি-ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে খেলা দল থেকে সৌরভি আকন্দ প্রীতি ও উমেহ্লা মারমাকে বসিয়ে অভিজ্ঞ শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুনকে ফেরান। যাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ছিল না প্রকৃতপক্ষে কোহাতি ও আফঈদারা।

খানিক পর আনিকার দূরপাল্লার শট ঝাপিয়ে পড়ে কর্নার করে দেন ভারতের গোলকিপার। তবে এই অর্ধে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ঋতুপর্ণা চাকমার মাধ্যমে সমতা ফিরে আসে। তহুরার পাসে ভারতের গোলকিপারকে পরাস্ত করে নেয় বাংলাদেশ। পরে ভারত ফের এগিয়ে যায়।

৬০ মিনিটে মনিকা চাকমাকে মাঠে নামানো হয়। চার মিনিট পর সানফিদার ক্রসে মানিশার শট বল চলে যায় গোলমুখের সামনে। আফঈদার দুর্বলতা কারণে মিস হয় গোলের সুযোগ। দেখা মেলেনি পাসিং ফুটবলের কাছে।

৮২ মিনিটে আফঈদার শট নেওয়ার সময় ভারত গোলে পৌঁছে যায়। এই ভুলে বাংলাদেশ তৃতীয় গোল হারিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত তারা হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার সুযোগ ছেড়ে দেয়।

পরিবর্তন আনা বাংলাদেশ দলকে অস্পষ্ট করেছিল। উইঙ্গার ঋতুপর্ণার গোলে সমতা ফি