ইন্দোনেশিয়া: রফতানি ব্যবস্থায় কড়া নিয়ন্ত্রণ প্রবৃদ্ধ করার সিদ্ধান্ত
রফত ন ব যবস থ য় কড় – ইন্দোনেশিয়া তাদের রফতানি ব্যবস্থায় কড়া নিয়ন্ত্রণ প্রবৃদ্ধ করতে চলেছে, যা বিদেশি বিনিয়োগের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। গত বুধবার ঘোষিত পরিকল্পনাটি দেশের প্রধান পণ্যগুলো রফতানি কার্যক্রমে একটি নতুন ট্রেডিং কোম্পানি মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কার্যক্রমটি তিন মাসের মধ্যে শুরু হবে এবং ভবিষ্যতে আরও পণ্য যুক্ত করা হতে পারে।
নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার লক্ষ্য
সরকারের লক্ষ্য হলো প্রাকৃতিক সম্পদের বিক্রি এবং মূল্য নির্ধারণে কড়া নিয়ন্ত্রণ প্রবৃদ্ধ করা। নতুন পদক্ষেপের ফলে রফতানি আয় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে সঞ্চয় করা হবে, যা বৃদ্ধি পেয়েছে রাজস্ব সংগ্রহে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে নোংরা হয়েছে।
“আমরা নিজের পণ্যগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখব, কারণ মূল্য নির্ধারণে আমাদের স্বাধীনতা প্রয়োজন।” ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো বলেন, “ট্রেডিং কোম্পানি মাধ্যমে পণ্য রফতানি কার্যক্রম কার্যকর করা হবে, এবং সম্পূর্ণ আয় রাষ্ট্রায়ত্ত করা হবে।”
আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া
এই পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সম্প্রসারণ উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার চীনা চেম্বার অব কমার্স নিয়ন্ত্রণের বিপর্যয় ঘটাতে পারে বলে চিন্তা করেছে। কয়লা ও নিকেল আকরিকের কোটা কঠোর করা হয়েছে, যা খনিজ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাম অয়েল এবং নিকেল রফতানিকারক। সরকার এই বিষয়টি গুজব ছড়িয়ে পড়ায় শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার সরাসরি ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করেছে, যা বাজারের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।
রফতানি ব্যবস্থার পরিবর্তন সরকারের মূল লক্ষ্য হলো আন্ডার-ইনভয়েসিং প্�
