News

রসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা রস ল স এর প রত ভ - রসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার বাবা, তার

Desk News
Published June 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা

রস ল স এর প রত ভ – রসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার বাবা, তার সন্তান এবং অন্য সব মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় না হই।’ এই হাদিস থেকে বোঝা যায় রসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা মুমিনদের জন্য অপরিহার্য।

সাধারণত মানুষ নিজের সন্তান বা পিতা-মাতা কে ভালোবাসে স্বাভাবিক কারণে। এই ভালোবাসা প্রকৃতিগত ছিল। তবে মুমিনদের ক্ষেত্রে এই ভালোবাসার তীব্রতা অন্যত্র থেকে বেশি। কোনো সন্তানের হাসি ফোটানোর জন্য বাবা-মা দুনিয়ার সুবিধার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত হন।

নিজের সত্তা থেকে বেশি প্রিয় বলে তাঁদের ভালোবাসা বিচার করে হজরত উমর (রা.) বলেন, ‘ইয়া রসুলুল্লাহ! আপনি আমার কাছে আমার নিজ জান থেকে বেশি প্রিয় নন।’ রসুল (সা.) তাঁর কথার উত্তরে বলেন, ‘নাহ! যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ, যতক্ষণ আমি তোমার কাছে তোমার নিজের চেয়েও বেশি প্রিয় না হই (ততক্ষণ তুমি পূর্ণ ইমানদার নও)।’ হজরত উমর (রা.) তখন বলেন, ‘আল্লাহর কসম, এখন আপনি আমার কাছে আমার জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয়।’

রসুল (সা.) হজরত উমর (রা.)-এর এ কথা শুনে বলেন, ‘হে উমর! তুমি যদি পূর্ণ ইমানদার হতে চাও তাহলে নিশ্চিত করে তোমার ভিতর রসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা তোমার জীবনের চেয়েও বেশি থাকতে হবে।’

মুমিনদের প্রতি ভালোবাসার মর্যাদা সব কিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। অন্য সব প্রাণের চেয়ে রসুল (সা.)-এর প্রতি আকর্ষণ ছিল অপরিসীম। সাহাবায়ে কেরামদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভালোবাসা ছাড়া অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারতেন। বর্তমান সময়ে অনেকে মানুষকে খুশি করার জন্য মিথ্যা কথা বলে স্বাভাবিক ভালোবাসার জন্য একটি মহব্বত প্রকাশ করেন।

আল্লাহমান শেখ সাদি (রহ.) বলেন, ‘আল্লাহর বিধিবিধান পালন করার পর যে ব্যক্তি দরুদ পড়ার অভ্যাস করে তার ওপর জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যায়।’ এখানে সাহাবায়ে কেরামদের সরলতা ও সত্য বিষয়টি প্রকাশ করে আল্লাহর রহমত নিশ্চিত করতে হবে রসুল (সা.)-এর সিরাত ও সুরাত অনুসরণে।

অতএব, মুমিনদের প্রতি ভালোবাসা রসুল (সা.)-এর সেবার জন্য কৃত্রিম হবে না। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর পথ অনুসরণ করা আবশ্যক। তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ আন্তরিকতা প্রকাশ করতে হবে।

লেখক : ইসলামি গবেষক | নগর জীবন | চট্টগ্রাম প্রতিদিন | দেশগ্রাম | ইসলামী জীবন | মাঠ

Leave a Comment