রাজধানীতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে
র জধ ন র দ র বল – ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খোলা জায়গায় ইঁদুরের সাধারণ বিচরণ এখন নগরবাসীদের প্রতি নতুন একটি চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। খাদ্য ও পানি দূষণ ঘটানোর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে ইঁদুর কৃত্রিম স্বাস্থ্য চিন্তা তৈরি করছে। তাদের মল বা মূত্রের সংস্পর্শে ঘটে সংক্রমণ বৃদ্ধি হওয়ায় শহরে নিয়ন্ত্রণ ছাড়া জনস্বাস্থ্য ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে।
নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন যে ঢাকায় ইঁদুরের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না হওয়া ও খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলে রাখার ফলে আধুনিক আবাসনেও ইঁদুর বাস বৃদ্ধি পেয়েছে।
যেকোনো প্রাণী বা কীটপতঙ্গের সংখ্যা বাড়ার মৌলিক সূত্র হলো—খাবারের প্রাপ্যতা যত বাড়ে সেই প্রাণীর সংখ্যাও তত বাড়ে। রাজধানীতে ইঁদুরের অস্বাভাবিক বাড়ার পেছনে একই কারণ কাজ করছে। কাঁচাবাজার, রাস্তার পাশে ও আবাসিক এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ইঁদুরের জন্য সহজলভ্য খাদ্য সরবরাহ করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়ামুল নাসের বলেন, “ইঁদুর বেড়েছে এটা নিশ্চিত। রাজধানীর যেকোনো কাঁচাবাজার এলাকায় গেলেই দিনদুপুরে বড় বড় ইঁদুর দেখা যায়। হাতিরপুল, কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে প্রচুর দেখা মেলে।”
গ্রামাঞ্চলে ইঁদুর ছিল কৃষকদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ। খেতের ধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন শস্য রক্ষায় তাদের উপদ্রব দীর্ঘদিন ধরে চালু ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে। কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে গ্রামাঞ্চলে ইঁদুরের উপদ্রব কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর বিপরীতে শহরে ইঁদুর বাড়ছে। কাঁচাবাজার, আবর্জনার স্তূপ ও আধুনিক বাসাবাড়িতে ইঁদুরের উপস্থিতি প্রায় চোখে পড়ার মতো।
প্রাণী গবেষকদের মতে নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্য বর্জ্যের অপরিকল্পিত পরিবহন ইঁদুরের বংশবিস্তারকে ত্বরান্বিত করছে। ড্রেন, নালা-নর্দমা ও খালগুলো পরিণত হয়েছে তাদের আশ্রয়স্থলে। দ্রুত নগরায়ণের ফলে জলাভূমি ও খোলা জায়গা কমে যাওয়ায় ইঁদুর শহরে আশ্রয় খুঁজে বসেছে।
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে ইঁদুরের সংখ্যা আগের তুলনায় বেশি। এগুলো মূলত বাসাবাড়ির আশপাশে বসবাস করে। তাদের শ্রেণী হলো বড় আকারের ব্রাউন র্যাট ও ছাদের ইঁদুর। সময়ের সঙ্গে তাদের প্রজাতি বৃদ্ধি পেয়েছে। নানা বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাওয়া ড্রেন ও নর্দমা তাদের বাসের স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত মে মাসে হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজন মৃত্য
