Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রামিসা হত্যা: ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পেয়েছে পুলিশ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Jones - patrikajournal.com

Foto : Karen Jones - patrikajournal.com

র ম স হত য: পুলিশ ডিএনএ ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে

Patrikajournal.com – র ম স হত য - রামিসা হত্যাকাণ্ডে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা ডিএনএ রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে সুদূর পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া তদন্ত কাজ চালাচ্ছেন। র ম স হত য ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়েছিলেন মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কয়েক ঘন্টা পর গ্রেফতার করা হয়।

তদন্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, র ম স হত য মামলার সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্টে নির্দিষ্ট করা হয়েছে মৃত রামিসার শরীরে কোন বিশেষ চিহ্ন রয়েছে। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয় ঘটনাস্থল থেকে। সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সন্ধ্যায়।

ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট নিশ্চিত করা হয়েছে

র ম স হত য ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রদান করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেখিয়েছে শিশুটির মৃত্যু ঘটেছিল ধর্ষণের পর। তদন্তকারীদের মতে, র ম স হত য মামলা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং অভিযোগপত্র প্রস্তুত হয়েছে।

ঘটনার ক্রমবিকাশ

গত মঙ্গলবার সাড়ে ১১টার দিকে র ম স হত য লাশ উদ্ধার করা হয় পল্লবী থানার ফ্ল্যাট থেকে। ধর্ষণ ঘটেছিল রামিসা কে আদিবাসী রাজধানীর পল্লবীতে। তার পর সোহেল রানা পালিয়েছিলেন জানালার গ্রিল ভেঙে। তার স্ত্রী গ্রেফতার হন এবং র ম স হত য কে নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি র ম স হত য মামলার সমস্ত প্রমাণ পর্যালোচনা করছে। ডিএনএ রিপোর্টের বিশ্লেষণে কেন্দ্রীয় সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, র ম স হত য মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে আগামীকাল রবিবার আদালতে মামলা দাখিল হবে।

র ম স হত য ঘটনার প্রতিবেদন করেছেন পুলিশের সিআইডি বিভাগের কর্মকর্তা। তিনি জানান, অপরাধ তদন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে এবং রিপোর্টগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিআইডি কর্মকর্তারা সম্মান দিয়েছেন র ম স হত য পরিবারের প্রতি। তারা জানান যে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করতে প্রমাণগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশের তদন্তের সম্পূর্ণতা ঘটনার তিন দিন পর ঘটেছে।