Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রামিসা হত্যা মামলা: প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে আবেগঘন বর্ণনা বাবার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

রামিসা হত্যা মামলায় বাবা আবেগাপ্লুত সাক্ষ্য দিলেন

Patrikajournal.com – র ম স হত য ম মল - র ম স হত য ম মামলা নিয়ে আদালতে প্রথম সাক্ষী হিসেবে আবেগাপ্লুত বর্ণনা করেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তিনি প্রমাণ দেন যখন অসুস্থতার কারণে তাকে বসার জন্য চেয়ার দেওয়া হয়। আদালতের সামনে আবেগ বশবর্তী হয়ে পড়েন তিনি প্রথম সাক্ষ্য দিলে।

ঘটনার সময় সাক্ষ্য দেওয়ার পরিচয়

আব্দুল হান্নান মোল্লা আদালতকে বলেন যে ঘটনার দিন সকালে তিনি অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। কাকলী এলাকায় অবস্থিত তার অফিসে চলে যাচ্ছিলেন ক্যান্টনমেন্টের মাধ্যমে। সকাল আনুমানিক ১০টা ১০টা ১৫ মিনিটে তার স্ত্রী পারভীন আক্তার ফোন করেন যে জরুরি ভিত্তিতে বাসায় ফিরতে হবে। আবেগ বশবর্তী হয়ে পড়েন তিনি সাক্ষ্য গ্রহণের সময়।

তিনি আদালতে আরও বলেন যে ঘটনার আগে আসামিদের চিনতেন না। আসামিকে জীবনেও দেখিনি বলে তিনি অভিহিত হন। পরে দেখেন যে তাদের ফ্ল্যাটের সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছে। দরজায় ডাকাডাকি করছিল তার স্ত্রী পাশের ফ্ল্যাটে কিন্তু কেউ দরজা খুলছিল না।

একপর্যায়ে তিনি হাতুড়ি দিয়ে দরজার লক ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। টয়লেটের সামনে সামান্য রক্ত দেখতে পান ভেতরে। রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ ও মাথা রুমে বড় বালতির মধ্যে দেখেন তিনি।

মামলার পরিচালনা ও বিচার কার্যক্রম

রামিসা হত্যা মামলায় পুলিশ কল করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে। স্বপ্নাকে হেফাজতে নেওয়ার পর আবেগ বশবর্তী হয়ে পড়েন তিনি সাক্ষ্য দিলে। মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষী রয়েছেন বলে জানা গেছে।

র ম স হত য ম ঘটনার পর পুলিশ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে। মামলার প্রক্রিয়া অনুসারে আবেগ বশবর্তী সাক্ষ্য দেওয়ার পর অন্যান্য সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

২০ মে আবেগাপ্লুত বর্ণনা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি আদালতে অবিলম্বে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য হন যে ঘটনাস্থলে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

র ম স হত য ম ঘটনার পর আবেগ বশবর্তী হয়ে পড়েন বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি আদালতের সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার পর অনুমান করেন যে মরদেহ তার স্ত্রী দ্বারা স্বপ্নাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া হয়।