Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রামিসা হত্যা : সোহেল-স্বপ্নাকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Charles Jones - patrikajournal.com

Foto : Charles Jones - patrikajournal.com

র ম স হত য ঘটনায় সোহেল ও স্বপ্নাকে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ

Patrikajournal.com – র ম স হত য - রামিসা হত্যা ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত করে কাজ করছে। ঘটনার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকার পল্লবী ফ্ল্যাটে ছোট্ট রামিসা কে ধর্ষণ করে গলাকেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় একটি রুমে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ খুঁজে পাওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান জানান যে ডিএনএ টেস্ট রিপোর্টের সাহায্যে সোহেল রানাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আজ রবিবার দুপুরে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

শিশু রামিসা হত্যা ঘটনা বিস্তারিত

রামিসা ছিলেন পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ঘর থেকে বের হন। তিনি ঘর থেকে বের হন যেহেতু পরিবারের সদস্য তার বাইরে যাওয়া বলেছিলেন। কৌশলে স্বপ্না আক্তার তাকে একটি রুমে নিয়ে যান। ঘটনার পর রামিসার মা তার সাড়াশব্দ পায় না পেয়ে দরজা ভেঙে প্রবেশ করেন। শিশুটি জ্ঞান হারানোর পর তার মস্তকবিহীন মরদেহ শয়নকক্ষে খাটের নিচে রাখা হয়। গলা কেটে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যায়।

পুলিশ জানান যে নিহত রামিসার সঙ্গে সোহেল ও স্বপ্নার কোনও বিরোধ ছিল না। তদন্ত প্রক্রিয়ায় সোহেল রানা আদালতে ঘোষণা করেন যে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এ তথ্য অনুযায়ী তিনি রামিসাকে রুমে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে ধর্ষণ করেন। সোহেল এবং স্বপ্না তার মা কে প্রথমে আক্রমণ করেন, তারপর তিনি স্বপ্নাকে প্রথমে গ্রেফতার করেন।

পুলিশ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তদন্তের পর ফতুল্লা থানার সামনে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেন। তিনি স্বপ্নার সাথে এ ঘটনার সম্পর্ক নিয়ে জবাব দেন। এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা শিশু রামিসার মাথা বালতির মধ্যে রাখেন। ঘটনার সময় স্বপ্না একই রুমে ছিলেন যেখানে শিশুটি ধর্ষণ ও হত্যার পরিণতি ঘটে।

আদালতের তদন্ত এবং বিচারের অপেক্ষা

রামিসা হত্যা কেন্দ্রিক মামলার জন্য রবিবার দুপুরে চার্জশিট দাখিল হয়। সোহেল রানা আদালতে বলেন যে তিনি রামিসাকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রুমে নিয়ে যান। তার মাথা কাটা হয় এবং ঘটনার পর তিনি রামিসার পরিবারের সদস্যদের অপসারণ করেন। পুলিশ তদন্ত অনুযায়ী স্বপ্নাকে এ ঘটনায় সহায়তা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রামিসা হত্যা ঘটনার পর পরিবারের সদস্য আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হন। তিনি আদালতে জানান যে সোহেল ও স্বপ্নার সঙ্গে তার পরিবারের সাথে কোনও সম্পর্ক ছিল না। এ ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ গ্রহণ করেন। তিনি স্বপ্নাকে স্বীকৃতি দেন যে তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও কার্য করেন নি।

২০ মে গ্রেফতার হওয়া সোহেল রানার কথা শুনে পুলিশ তদন্ত করে চার্জশিট তৈরি করেন। রামিসা হত্যা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী স্বপ্না তাকে রুমে নিয়ে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। তদন্ত কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে সোহেল এবং স্বপ্না এ ঘটনার জন্য পরিচ