স্বামীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
র ম ন ড শ ষ ক – আদালত বৃহৎ শিশু আসমা আক্তার ঝিলিকের মৃত্যুর ঘটনার পর তার স্বামী সাফিউল্লাহ ওরফে মহব্বতকে (৪৫) কারাগারে আটক করার আদেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গতকাল আসামিকে আদালতে হাজির করে এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে আটক রাখার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে।
মৃত্যুর ঘটনা ও চিকিৎসার প্রক্রিয়া
গত শুক্রবার দুপুরে ঝিলিকের বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাত তলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু ঘটে। তার বড় ভাই মোজাম্মেল হক শনিবার ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। তদন্তে পুলিশ সাফিউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড বলে আদেশ দেন।
সাফিউল্লাহ ঝিলিকের বাবাকে ফোন করে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করেন। তিনি জানান, ঝিলিক কেবিনের পেছনের খোলা বারান্দার জানালা দিয়ে পড়ে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছিল।
অভিযোগে বলা হয়, সাফিউল্লাহর তীব্র পেটে ব্যথা হলে ঝিলিক ও তার ভাই মোজাম্মেল নিয়ে গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়ার সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতে তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তবে সিট বা কেবিন খালি না থাকায় ঝিলিক আবার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হয়।
সকাল ১০টার দিকে ঝিলিকের সুস্থ হওয়ার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তার ভাই মোজাম্মেল বিষয়টি জানান এবং হাসপাতালে বিলের জন্য ১৬ হাজার টাকা পাঠানোর আবেদন করেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঝিলিকের ছোট বোন রেশমি আক্তারের সাথে ভিডিও কলে কথা হয়।
ঘটনার পরে আসমা আক্তার ঝিলিক ছোট ও বড় পর্দার মিলিয়ে বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি চিত্রনায়ক শাকিব খান অভিনীত রংবাজ সিনেমার একটি চরিত্রে কাজ করেছেন।
তদন্ত বিষয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সংবাদপত্র ও বিভাগগুলো। ঘটনার সময় বিশেষ করে অনুসন্ধান কর্মকর্ত
