Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রূপকথা নয় সত্যি, ৭৮ তলা গভীর গুহা থেকে মায়ের টানে অলৌকিক ফেরা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Davis - patrikajournal.com

Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

রূপকথা নয় সত্যি, ৭৮ তলা গভীর গুহা থেকে মায়ের টানে অলৌকিক ফেরা

Patrikajournal.com – র পকথ নয় সত য ৭৮ তল - গুহার আটকে থাকা চার শ্রমিক প্লাবিত জায়গায় ১১ দিন ক্ষুধার্ত ও দুর্বল শরীরে জড়ো হয়ে ছিলেন। তারা অন্ধকারে টানা হাজার হাজার বুক সমান পানিতে বাঁচার আশা প্রায় শেষ হয়েছিল। তখনই পানি কিছুটা কমতে শুরু করে এবং তা দেখে তারা এক অবিশ্বাস্য জীবনযুদ্ধে মেতে ওঠেন।

শনিবার প্রথম সদস্য আন্তর্জাতিক ডুবুরি দলের সাহায্যে বাইরে নিয়ে আসা হয়। বাকি চারজনকে নিরাপদ সময়ের জন্য গুহার মুখে অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু তারা স্বীকার করেন যে বেঁচে থাকার জন্য ও টিকে থাকার জন্য তারা এতটা কঠিন লড়াই করেছেন।

গুহার মুখ পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ২৬০ মিটার ছিল, যা একটি ৭৮ তলা ভবনের উচ্চতার সমান। সুড়ঙ্গটি মোটেও সহজ ছিল না। কোথাও ছিল বুক সমান বরফশীতল পানি, কোথাও সুড়ঙ্গ এতটাই সরু ছিল যে অক্সিজেনের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছিল।

দারিদ্র্যের তাড়নাতে মী সিংফামালাই ও তার বন্ধুদের মূলত সোনার খোঁজে গুহায় প্রথমবার ঢুকেছিল। লাওসের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জীবনধারণের স্থায়ী উপায় না থাকায় অনেকেই এভাবে গুহায় ভাগ্য অন্বেষণে যায়। কিন্তু তারা গুহার মুখ পর্যন্ত প্লাবিত হয়ে যায় গীষ্মকালীন ভারী বর্ষণে।

মী সিংফামালাই জানান, ক্ষুধার্ত শরীরে তিনি শুধু পানি খেয়ে বেঁচে থাকেন। গুহার মুখে আসার পর তিনি মানুষের উল্লাস দেখে নতুন জীবন পেয়েছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ডুবুরি জশ রিচার্ডস জানিয়েছেন, বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের মানচিত্র অনুযায়ী গুহার আরও ১০০ মিটার গভীরে একটি বড় এয়ার পকেট বা বায়ুস্তর রয়েছে। সুড়ঙ্গের সেই অংশটি অত্যন্ত সংকীর্ণ ও বিপজ্জনক।

বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের সাহায্য ছাড়াই গুহা থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণ ফিরে এলেও খনি এলাকায় উদ্ধার অভিযান কিন্তু এখনও শেষ হচ্ছে না। কারণ, গুহার মুখে প্রবেশ করার আগে আরও দুজন গ্রামবাসী আর একটি পথ দিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। তাদের সন্ধানে পরিবারের সদস্যরা গুহার বাইরে চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করছেন।

গুহার পানির স্তর আবারও বেড়ে গেছে গত রাতে নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় উদ্ধারকাজকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। মী সিংফামালাই শিউরে উ�