News

রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে রোপণ করা হলো বিরল ‘ধুমকলা’র নতুন চারা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1cae39ae-fe40-4025-b92e-0f31815e8fc7-0

বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে ধুমকলার নতুন চারা রোপণ করা হলো

Patrikajournal.com – র ক য় স ম ত ক – রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে বিরল ধুমকলার চারা রোপণ করা হয়েছে। এই গাছ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বাবা পায়রাবন্দের জমিদার জহির উদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের জার্মানি থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। স্মৃতিকেন্দ্রে এখন একটি ধুমকলার গাছ অবশিষ্ট আছে, যা রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের মধ্যে অবস্থিত।

ফল পাওয়া এবং বৃহস্পতিবারের পরিবেশ দিবসে রোপণ

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ধুমকলা গাছে প্রথমবারের মতো ফল উৎপন্ন হয়। কয়েক দর্শনার্থী বর্তমানে প্রচুর বীজ সম্পন্ন ফলের সাথে মুগ্ধ হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে নতুন একটি চারা রোপণ করা হয়। এই কর্মসূচি রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্যোগের একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হিসাবে প্রসিদ্ধ হয়েছে।

বাংলা একাডেমির সহপরিচালক আবিদ করিম মুন্না এই চারা রোপণ করেন। তিনি জানান যে ধুমকলা গাছটি বিরল এবং দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির। এটি প্রথম বারের মতো স্মৃতিকেন্দ্রে রোপণ করা হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। এই গাছটি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বেগম রোকেয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল বলেন, ধুমকলা গাছগুলি রোকেয়ার বাবা ছিল ১৮৪০ সালে জার্মানি থেকে আনা হয়েছিল। তারপর থেকে গাছগুলি অযত্নে পড়েও বংশবৃদ্ধি হয়েছিল। এটি পরিবেশ সংক্রান্ত ইতিহাসে অপূর্ব উপলক্ষ।

ধুমকলা গাছটি অনুন্নত গোড়ায় স্থানীয় জনতা কর্তৃক রক্ষিত হচ্ছে। গোড়াটি পামগাছের মতো গোল হয় এবং কাঁদিতে হাজার হাজার কলা উৎপন্ন হয়। কলাগুলি হলুদাভ রং ও কম বীজে পুষ্ট হয়। এই বীজগুলি কেবলমাত্র বিশেষজ্ঞদের কাছে পৌঁছে অবশ্যই পরিবেশ সংক্রান্ত গবেষণায় ভূমিকা পালন করে।

রোপণের অর্থ এবং পরিবেশ আন্দোলনে গুরুত্ব

রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে ধুমকলা গাছ রোপণ করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল পরিচালিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে। এই প্রজাতি বাংলাদেশের বন সংক্রান্ত উপাদান হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। রোপণ করা হয়েছে অডিটোরিয়ামের লবির নিচে। উপজেলার খোর্দ্দমুরাদপুর গ্রামে এই গাছটি রয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *