রোয়াংছড়িতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
বসুন্ধরা শুভসংঘের রোয়াংছড়ি উপজেলার সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন হয়েছে
Patrikajournal.com – র য় ছড় ত বস ন ধর - বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় নারীদের দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তুলতে বসুন্ধরা শুভসংঘের রোয়াংছড়ি শাখা একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছে। সম্প্রতি ওয়াগয় পাড়ার লাইব্রেরি ভবনে উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে মোট ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকদের আশার প্রকাশ
বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি শিমল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “এই কেন্দ্রে স্থানীয় মহিলারা ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হতে পারবেন। নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে আমরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছি। প্রশিক্ষণ মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা হবে এবং সমাজে অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা হবে।”
সাংগঠনিক সদস্যের বক্তব্য
সাংগঠনিক সম্পাদক মনিলাল তঞ্চঙ্গ্যা উল্লেখ করেন, “এই উদ্বোধন আমাদের সংগঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করতে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। সমাজ পরিবর্তনে নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া সম্পৃক্ততা সম্ভব নয়।”
পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়কের মন্তব্য
বসুন্ধরা শুভসংঘের পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়ক উয়ই সিং মার্মা বলেন, “নারীদের ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। পার্বত্য অঞ্চলে মহিলাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি।”
বিশেষ অতিথির মতামত
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর স্পনসরশিপ অ্যান্ড সিস্টেমস অফিসার শান্ত চিছাম বলেন, “নারীদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা উন্নয়ন টেকসই সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। পার্বত্য অঞ্চলে মহিলারা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করে চলেছেন। এই প্রশিক্ষণ তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং বিকল্প আয় সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি করবে।”
গ্রামপ্রধানের সমর্থন
ওয়াগয় পাড়ার গ্রামপ্রধান ইন্দ্রলাল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “রোয়াংছড়ি উপজেলায় এমন উদ্যোগ আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করতে সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে সমাজে মহিলারা দীর্ঘদিন ধরে সীমাবদ্ধতা মোকাবেলার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদস্য শিমারাণী তঞ্চঙ্গ্যা, রেনি তঞ্চঙ্গ্যা এবং রিবেল তঞ্চঙ্গ্যার সাথে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, প্রশিক্ষণার্থী এবং এলাকার মহিলা প্রতিনিধিরা। অংশগ্রহণকারী মহিলারা নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা প্রমাণ