Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিক্ষা নিয়ে গবেষণা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Jones - patrikajournal.com

Foto : Karen Jones - patrikajournal.com

শিক্ষার ওপর অবিচার নিয়ে কথা

Patrikajournal.com – শ ক ষ ন য় গব ষণ - জাতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে শিক্ষা বলে মনে হয় এমন সময়ে প্রতিটি প্রজন্ম আপ্তবাক্য শুনে বড় হয়। কিন্তু কারিকুলাম পরিবর্তনের বিষয়টি উপরে থেকে নতুন করে ছাত্রছাত্রীদের ওপর চাপ দিয়ে চলছে। এতে মেরুদণ্ডটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে যেন গিনিপিগ হিসেবে নতুন ওষুধের পরীক্ষা করা হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের।

নতুন কারিকুলামের প্রবর্তন ঘটছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক। কমিয়ে আনা হবে পরীক্ষার ভার এবং পাঠ্যবইগুলোও সংক্ষিপ্ত করা হবে। পরীক্ষাভীতি দূর করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে যাতে ছাত্রছাত্রীদের মন থেকে চাপ পড়ে না।

নতুন পাঠ্যক্রমে শিক্ষাকে সুখপাঠ্য করে পরীক্ষা কমিয়ে আনা হবে। কমানো হবে পাঠ্যবইও। ছাত্রছাত্রীদের মন থেকে পরীক্ষাভীতি দূর করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকার নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রবর্তন করে। কিন্তু তা বাস্তবায়নের পর দশ বছর পর ২০২৩ সালে সরকার পুনরায় নতুন পাঠ্যক্রমের মুখোমুখি হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিতর্কে জড়িত হয়েছে কিন্তু সরকার তাকে পরিচালনা করছে।

২০২৫ সালে চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের পর স্থাপিত অন্তর্বর্তী সরকার পূর্বের কারিকুলামের ভিত্তিতে বই বিতরণ করে। এ সময়ে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান এক যুগ আগে প্রণয়ন করা কারিকুলামে চলছে। কিন্তু পরিবর্তনের দরকার না থাকায় এ প্রজন্ম অবিচার হচ্ছে।

আজ থেকে আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত কেবল পাঁচ বছরে তিনটি পাঠ্যক্রমের বোঝা দেওয়া হচ্ছে। এটি কোনো দেশে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষানীতি পরিবর্তন করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না। কারণ শিক্ষার্থী এবং সার্বিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২০২৮ সালে ছাত্রছাত্রীদের নতুন কারিকুলাম আসবে। এ বিষয়ে প্রয়োজন হয়েছে বোধোদয়। শিক্ষাকে জাতি গঠনের অস্ত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। যাতে আগামী প্রজন্ম উন্নত বিশ্বের সমমান শিক্ষার্থীদের সাথে টেক্কা দিয়ে চলতে পারে।