Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 1, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Jones - patrikajournal.com

Foto : Karen Jones - patrikajournal.com

শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুতর প্রতিবেদন

Patrikajournal.com – শ ল প ও কর মস স - বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হলো শিল্প খাত এবং কর্মসংস্থান প্রাপ্ত করা। দেশের অর্থনৈতিক মূল্য বর্তমানে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলারের মতো হলেও বাজেটে গোটা ঘাটতি প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শিল্প খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া জরুরি।

বাংলাদেশের অর্থনীতির আর্থিক গুরুত্ব স্থানীয় শিল্প খাতের উপর ভর করে। বিশেষ করে পোশাক উৎপাদন, টেক্সটাইল ও এর সম্পর্কিত খাতগুলি লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের উৎস। কিন্তু সম্প্রতি সুতা আমদানির হার আকাশছায়া বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে সুতা আমদানির পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার কোটি টাকা হতে ২৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এই পরিবর্তন দেশের বর্তমান শিল্প খাতকে চাপে ফেলেছে।

অনেক কারখানা প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না এবং দেশীয় উৎপাদন কমে গেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রয় ক্ষেত্রে একটি বড় অংশ ভারতে চলে গেছে। এতে শিল্পের ক্ষতি ছাড়া কর্মসংস্থান ক্ষতি হচ্ছে না এবং তা অপেক্ষাকৃত বেশি হুমকির মুখে পড়ছে।

শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরাসরি ব্যাংক খাত নিজেও চাপে রয়েছে। ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ায় বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ আরো কমবে। এতে স্থানীয় বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অর্থায়নের বিকল্প উৎস নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। পুঁজিবাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি ঋণ এবং উন্নয়ন সহায়তার দক্ষ ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বৃদ্ধি জরুরি।

সম্প্রতি জ্বালানি দক্ষতাকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি আমদানি সহায়তা দিলে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব। এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সুবিধে পাবে। সব মিলিয়ে এ বাজেট শুধু ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এটি হওয়া উচিত শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষার বাস্তব পরিকল্পনা। শিল্প খাত টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে না পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হবে।

লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোশিয়েশন (বিটিএমএ)