News

শিশু রামিসাকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল: পুলিশ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

শিশু রামিসার হত্যা এবং লাশ গুম করার চেষ্টা: পুলিশের প্রতিবেদন শ শ র ম স ক হত - শিশু রামিসাকে হত্যার পর তার লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানায়।

Desk News
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শিশু রামিসার হত্যা এবং লাশ গুম করার চেষ্টা: পুলিশের প্রতিবেদন

শ শ র ম স ক হত – শিশু রামিসাকে হত্যার পর তার লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানায়। ঘটনার স্থান ছিল ঢাকার পল্লবী এলাকার মিরপুর-১১ সেকশনের বি ব্লকের সড়ক নম্বর ৩৯ এলাকায় অবস্থিত তিনতলা ফ্ল্যাট। লাশটি খাটের নীচে থেকে উদ্ধার করা হয়, যার মাথা শৌচাগারে পাওয়া গেছে। পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে হত্যার পর লাশ গুম করার চেষ্টা নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

হত্যার ঘটনা ও লাশ গুম করার চেষ্টা

শিশু রামিসা আক্তারের মা পারভীন আক্তার বৃহৎ আকারে বিক্ষোভ ও ধাক্কাধাক্কি শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন। তারা দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে তার চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন এবং লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনার সংঘটন রামিসার মা রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খুজতে থাকার সময় ঘটে।

পরিবার ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

রামিসা আক্তারের পরিবার সাধারণ বাসিন্তে বসবাস করছে মিরপুর-১১ সেকশনের বি ব্লকে। তার মাতুল রাইসা নবম শ্রেণির ছাত্র। মায়ের নাম পারভীন আক্তার এবং বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। রামিসার মা সকালের সাড়ে ১০টার দিকে তার বোন রাইসার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার জন্য ছুটে বেড়ান। কিন্তু হঠাৎ তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না, যা ঘটনার চৌম্বক করেছিল।

রামিসার মা দরজার বাইরে রামিসার পায়ে জুতা দেখে সন্দেহ করেন। তিনি ফ্ল্যাট ঘের ডাকাডাকি করেন, কিন্তু দরজা খোলা হয়নি। ফলে তিনি রামিসার মা ও স্ত্রীর সহযোগিতা করার সুযোগ পায়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ স্পীড করে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানার বিরুদ্ধে নাটোর জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগের মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত এবং ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর রামিসার মাথা ও শরীর খাটের নীচে স্থানান্তরিত হয়েছে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে। সোহেল রানার নামে ঘটনার তদন্ত বর্তমানে সম্পন্ন হচ্ছে।

রামিসার মা ও স্ত্রী বলেন যে তাদের বাবা সোহেল রানা দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় দরজা খোলা হয়নি। এটি তাদের সহযোগিতা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। কিন্তু তার লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যার ফলে ঘটনার স্থান বিশেষ রকমে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার বিকৃত মানসিকতা ও যৌন রুচির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়া পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। শিশু রামিসার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে প্রতিবেদন করা হয়েছে।

Leave a Comment