কোন সরকারের আমলে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক মান সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
সবচ য় ব শ ক ষত হয় – বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুণগত মূল্য কোন সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছিল তা সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হলে দেশের সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এটি একটি নেতিবাচক ও পরিস্থিতির প্রশ্ন। সত্য কথা বলতে হলে সম্পাদকীয় সংস্কার বিষয়ে সুশীল সম্প্রদায় আবিষ্কার করতে হয়। সমাজের বিভেদ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত হয়েছিল বলে প্রমাণিত হয়েছিল।
সুশীল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক শ্রেণির মুখোশ
২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনে গঠিত সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে সুশীলদের সাংবাদিক শ্রেণি মুখোশ পরিহার করে দেশের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাজে পরিণত হয়। এদের মধ্যে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিদেশি ডোনারদের সহায়তার ফলে সংগঠিত এনজিও নেতৃত্ব ও পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক শ্রেণি। অনেকে রগড় করে বলেন, ডেভিলস্ ওয়ার্কশপ হিসেবে সাংবাদিক শ্রেণির পরিচয় অনেকটা পরিবর্তিত হয়েছিল। তখন সম্পাদকীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভক্ত হয়েছিল ঠুনকো কাচের মতো প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।
রগড় করে বলেন ডেভিলস্ ওয়ার্কশপ
সেনাসমর্থিত সরকারের সাথে সংস্কারের স্লোগান জুড়ে পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটানোর পরিকল্পনা সম্পাদকীয় শ্রেণির বেশির ভাগই অপাঙ্ক্তেয় ও অচ্ছুত হয়ে পড়ে। সেই সময় সাংবাদিক শ্রেণি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোড়ল ও সম্পাদকদের প্রতিক্রিয়া দ্বারা নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশ ধারণ করতে বাধ্য হয়। তাদের মতো সাংবাদিক চরিত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও সাংস্কৃতিক মান বিকৃত হয়েছিল।
ভারতের ছয়টি ঘোড়া উপহার বাংলাদেশে
২০০৭ সালের পর ভারতের সামরিক সম্পর্ক বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে ‘সৌহার্দের নিদর্শন’ হিসেবে সূচিত করা হয়। সেনাপ্রধান দীপক কাপুর দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য ছয়টি ঘোড়া উপহার দেন। ঘোড়াগুলোর মধ্যে দুটি স্ট্যালিয়ন ও চারটি মাদি ঘোড়া ছিল। সম্প্রদায়গুলো সেটি কূটনৈতিক প্রয়াসের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।
সেই ঘটনাটি মাত্র উপহার হিসেবে পরিচিত ছিল না। পরিস্থিতির মূল্য ও গণতন্ত্রবিহীন পরিবেশে সেটি ব্যাপক আলোচিত হয়। শাসনতন্ত্রের আমলে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র চারটি মূলমন্ত্রে করেছিল বলে উল্লেখ করা হয়। এমন একটি সময়ে সম্পাদক ও কলামিস্ট প্রতিষ্ঠান হারিয়ে সমাজে স্বাধীনতা ও
