সালাম সম্প্রীতির বাহন
স ল ম সম প র ত – সালাম ইসলামের গভীর মূল্যবান একটি ইবাদতের নাম। এটি সামাজিক মানদণ্ডের অপর এক উৎকৃষ্ট প্রমাণ। বিশ্বাস ও ভালোবাসার জন্ম হয় সালামের মাধ্যমে, যেখানে হিংসা ও বিদ্বেষের দূরত্ব নেই। সামাজিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক ভালোবাসার বৃদ্ধি সালামের দোয়ার মাধ্যমে সম্ভব।
রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা প্রকৃত ইমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা গড়ে ওঠা পর্যন্ত তোমরা ইমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজের কথা বলব না, যা করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে লাগবে? তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালাম প্রচার কর (তিরমিজি)।’
সালামের অপর এক উদাহরণ
অনেকে ভাবেন যে সালাম স্রেফ একটি সম্ভাষণ কর্ম, যা অন্যান্য ধর্মেও পাওয়া যায়। কিন্তু সালাম সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এটি বিশেষ করে নিছক কুশলবিনিময়ের বিপরীত। সালাম করা হয় আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করে। তা দ্বারা অপরিচিত ব্যক্তিগণ মধ্যেও ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বিকশিত হয়।
আপনি যখন কাউকে সালাম দিচ্ছেন, তখন আপনি তাকে বার্তা দিচ্ছেন যে আমার পক্ষে আপনি নিরাপদ, আল্লাহ আপনাকে শান্তিতে রাখুন এবং আপনার ওপর রহমত বর্ষিত হোক।
একটি কল্পনা করুন যে আপনি অপরিচিত জায়গায় গেছেন। সেখানে কেউ আপনার চেনা নয়। আপনি প্রতি মুহূর্তে অজানা শঙ্কায় ভুগছেন। হঠাৎ খেয়াল করলেন যে আপনার সামনে আসছে ব্যক্তিরা, যারা স্মিত হাসিমুখে সালাম দিচ্ছেন। এটি অর্থ হয় যে তারা আপনার প্রতি রয়েছে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা। আপনার মনে কোনো ভয় থাকবে না, তবে তাদের অতি আপন মনে হবে। এটিই সালামের আসল শক্তি।
সালাম ও ইমানের সম্পর্ক
নবীজি (সা.) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘ইসলামের কোন কাজটি সবচেয়ে উত্তম?’ তিনি বললেন, ‘অসহায়কে অন্নদান করা এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সবাইকে সালাম দেওয়া (বুখারি)।’ বর্তমান করপোরেট জীবনে কেউ সালাম বিনিময়কে আনস্মার্টনেস মনে করে থাকেন, তারা হাই-হ্যালো বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কিন্তু সালামের ভিতর আন্তরিকতা ও আধ্যাত্মিক সংযোগ রয়েছে, যা কোনও শব্দে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব।
সালাম মানুষকে বিনয়ী ও প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী করে ত
