হাইকোর্ট সচিবালয়ের রায় স্থগিত হয়েছে আপিল বিভাগের আদেশে
স প র মক র ট সচ – বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সাংঘর্ষিকতা ঘোষণা করে রায় বাতিল করার পর সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আদেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগ স্থগিত করেছে। মঙ্গলবার (৯ মে) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ নির্দেশ জারি করে। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর এ রায় স্থগিত করা হয়।
গত বছরের সিদ্ধান্ত পুনরাবৃত্তি হয়
২ সেপ্টেম্বর সাত আইনজীবীর রিটের শেষ শুনানির পর হাইকোর্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে বাতিল করেন। তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আদেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আবেদন গৃহীত হয়েছে
গত ৭ এপ্রিল হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর রাষ্ট্রপক্ষ ২১ মে রায় বাতিল চেয়ে আপিল করে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিতের আবেদন জানায়।
অপরদিকে বদিউল আলম মজুমদার এবং আহসানুল করিম যথাক্রমে সুশাসনের জন্য নাগরিক সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে আপিল করেন। আজ মঙ্গলবার দুই আপিল একসঙ্গে শুনানি হয়। শুনানির পর হাইকোর্টের রায় স্থগিত করা হয় এবং ১৬ জুন নতুন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে অনুরোধ করা হয়।
বলা হয়, অধ্যাদেশের অধীন প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত হবে। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে বিচার শাখা-৩ এর এক স্মারকমূলে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের (১৫ বিচারক) পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের জন্য আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত ১৯ মে অফিস আদেশ জারি করে আইনমন্ত্রনালয়। এতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ন্যস্ত বাজেট, গৃহীত প্রকল্প ও কর্মসূচি আইন ও বিচার বিভাগে হস্তান্তরিত ও ন্যস্ত হবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য সৃজিত পদগুলো বিলুপ্ত হবে। অফিস আদেশে ভূতাপেক্ষভাবে যোগদানপত্র গ্রহণের তারিখ ১০ এপ্রিল উল্লেখ করা হয়।
বিএনপি রাষ্ট্রপক্ষ হিসেবে পূর্ববর্তী সরকার গঠন করেছিল
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে। বিএনপি রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করা হয়।
হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ শিরোনামে গত বছরের ৩০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এর পর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল পাস করা হয়। পরদিন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকর
