সোলাইমানির মৃত্যু প্রতিশোধে ইভাঙ্কাকে হত্যার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছিল
স ল ইম ন র ম ত – সোলাইমানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইভাঙ্কাকে হত্যার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছিল বলে জানা গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, এই পরিকল্পনা ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মোহাম্মদ বাকের সাদ আল-সাদি কর্তৃক পরিচালিত হয়েছিল।
প্রতিশোধের ঘোষণা এবং সম্পর্কের বিস্তার
আল-সাদি ইভাঙ্কা ট্রাম্পের সাথে সোলাইমানির মৃত্যুকে সেই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক বড় সাফল্য হিসেবে উদযাপন করা হয়েছিল। তিনি ইরাকি যুবক আল-সাদিকে তার গুরু ও পিতামাতার মতো চিহ্নিত করতেন। পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্প কর্পোরেশনের হামলা দ্বারা সোলাইমানির মৃত্যু প্রতিশোধ নিতে।
আল-সাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইভাঙ্কা ট্রাম্প এবং তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের ফ্লোরিডার ইন্ডিয়ান ক্রিক আইল্যান্ডে অবস্থিত বিলাসবহুল বাড়ির একটি নীলনকশা ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্টে তিনি মার্কিন প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে কোনও রাজপ্রাসাদ বা সিক্রেট সার্ভিস তাদের রক্ষা করতে পারে না।
পুনরায় তদন্ত অনুযায়ী, আল-সাদির অভিযোগে তিনি গত ১৫ মে তুরস্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে হামলা ও চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ইভাঙ্কাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন, যার মাধ্যমে সোলাইমানির মৃত্যু প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল।
আল-সাদি ইভাঙ্কাকে ২০০৯ সালে জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বিয়ের আগে ইহুদি ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। তার অভিযোগে তিনি টরন্টোতে মার্কিন দূতাবাসে গুলিবর্ষণ, আমস্টারডামে ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক মেলনে বোমা হামলা এবং লন্ডনে দুই ইহুদি নাগরিককে ছুরিকাঘাতের ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন।
বর্তমানে আল-সাদি নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে কঠোর নিরাপত্তায় নির্জন কারাবাসে রয়েছেন। সোলাইমানির মৃত্যুর পর তার চাপ প্রতিশোধের জন্য ক্রমাগত প্রসারিত হয়েছিল এবং ইভাঙ্কাকে হত্যার স্পষ্ট পরিকল্পনা বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সোলাইমানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে আল-সাদি নিজেকে একটি অর্থনৈতিক সংঘর্ষ ঘটানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইভাঙ্কাকে টার্গেট করা হয়েছি�
