News

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল : সেই জরাজীর্ণ বাসের লাইসেন্স বাতিল | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

82bc3fd5-d77f-4d29-84e9-5506c0d98b9d-0

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বাসের লাইসেন্স বাতিল

যানবাহনের গুণগত অবনতির মুখোমুখি হওয়া বাসটি প্রতিষ্ঠানের সংকট

Patrikajournal.com – স শ য ল ম ড য় – সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রাজধানী ঢাকার একটি জরাজীর্ণ মিনিবাসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ছবি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উখিল হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দ্বারা নিবন্ধন ও রুট পারমিট বাতিল করার পর বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুতর আলোচনার উৎসাহ দেয়। বিশেষ করে যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো উত্তর দিতে বাধ্য হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে মিনিবাসের পেছনের অংশে চালানো যানবাহনের ক্ষতির চিত্র দেখা যায়। এই অবস্থা থেকে সেন্সর কর্মকর্তারা কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন বলে খবর প্রকাশ করা হয়। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ যানবাহন পরিচালনার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে কার্যক্রম এবং বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি সম্প্রসারণ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা ছিল না

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো বাসটির অবস্থা দেখার জন্য আমাদের আলোচনা প্রক্রিয়া গুরুতর উৎসাহ দিয়েছে। তিনি জানান, এই যানবাহনের ক্ষতি অবহিষ্ট হওয়ার পর সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

যানবাহনের গুণগত অবনতির মুখোমুখি হওয়া নিয়ে মন্ত্রী অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছাড়াও যে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সড়ক থেকে পৃথক করা হয়েছে, যা গুরুতর ঝুঁকি কমানো জন্য অপরিহার্য।

সোশ্যাল মিডিয়া হাতে ছাড়া দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সামান্য ছিল বলে মন্ত্রী আলম মন্তব্য করেন। তিনি জানান, এই ঘটনা সেন্সর কর্মকর্তাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তথ্য পেয়া সম্ভব হয়েছে। এই তথ্য বিশেষ করে বাসটির অবস্থা গুরুতর করেছে।

সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের গুণগত অবনতি পরিচালনা করতে পারেননি। তারা মন্তব্য করেন, সোশ্যাল মিডিয়া ক্ষেত্রে অপরিচিত ঘটনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া পরবর্তী অনুমোদন দেওয়া হয় না। নিয়মিত তদারকি এবং অভিযান নিয়ে আলোচনা চালানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক পরিমাণে পরিশোধন করেছে। সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট মালিকদের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, যাতে যানবাহনের অবস্থা নির্দেশ করা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে গুরুতর বিশেষ ঘটনা জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *