ইরানি বিজ্ঞানীদের স্তন ক্যানসারের এমআরএনএ টিকা উদ্ভাবনে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি রয়েছে
স তন ক য নস র র – ইরানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলি সহযোগিতায় একটি নতুন এমআরএনএ টিকার ডিজাইন করেছেন, যা স্তন ক্যানসারের টিউমারের বৃদ্ধি ও ছড়িয়ে পড়া প্রক্রিয়া প্রতি কার্যকর প্রতিরোধ তৈরি করতে সক্ষম হতে পারে। এই সম্ভাব্য টিকার উদ্ভাবন পরীক্ষাগারে বা মানুষের ওপর পরীক্ষা করা হয়নি এখনো; এটি কম্পিউটারভিত্তিক গবেষণার স্তরে রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে স্তন ক্যানসারে ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। এটি পৃথিবীতে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যানসার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বর্তমান চিকিৎসায় কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এবং অস্ত্রোপচার ব্যবহার করা হলেও সুস্থ কোষের ক্ষতি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে ইমিউনোথেরাপি প্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বাড়ছে।
ইন্টারন্যাশনাল ইমিউনোফার্মাকোলজি জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার ফলাফল অনুসারে, টিকাটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে শক্তিশালী সম্ভাবনা দেখিয়েছে।
টিকাটি ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করার জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন (ভিইজিএফআর২ এবং সি-এমইটি) ব্যবহার করেছে। ভিইজিএফআর২ প্রোটিনটি অ্যানজিওজেনেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টিউমারকে রক্তনালী তৈরি করতে সাহায্য করে, যা ক্যান্সার কোষগুলোর বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করে। অন্যদিকে, সি-এমইটি প্রোটিনটি টিউমারের বিস্তার ও মেটাস্ট্যাসিসকে ত্বরান্বিত করতে সক্ষম। গবেষকরা বলছেন, এগুলো বিরুদ্ধে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হলে টিউমারের রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং কোষগুলোর বৃদ্ধি কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
টিকার ডিজাইন প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞানীরা ইমিউনোইনফরমেটিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে কম্পিউটেশনাল মডেলিং ও জেনেটিক ডেটাবেসের ব্যবহার রয়েছে। সাধারণ টিকার তৈরির প্রাথমিক পর্যায়ে জৈবিক নমুনা এবং প্রাণীদেহে ব্যাপক পরীক্ষা প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইন-সিলিকো পদ্ধতির সাহায্যে সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।
কম্পিউটার সিমুলেশনে দেখা গেছে যে টিকাটি শরীরে উল্লেখযো
