News

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে স্বামী, আটক ২ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে স্বামী আটক স ত র ক হত য র - স্ত্রীকে হত্যার ঘটনার পর মরদেহ কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় স্বামী আটক

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে স্বামী আটক

স ত র ক হত য র – স্ত্রীকে হত্যার ঘটনার পর মরদেহ কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় স্বামী আটক হয়েছেন। কক্সবাজারের উখিয়ায় ঘটে এই ঘটনাটি পারিবারিক কলহের ফলে স্থানীয়দের সন্দেহ তুলে ধরেছে। অভিযুক্ত স্বামীকে পুলিশের হেফাজতে আনা হয়েছে এবং তার মাকেও তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রেখেছেন।

পরিবারের প্রতিবেদন ও ঘটনার বিবরণ

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে নিহত স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পরে তাকে কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছেছেন। ঘটনার পর কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয় তাই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। নিহত পারভীন আক্তার (২৮) হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী আবদুল আলম (৩২) পাগলিরবিল এলাকার শামসুল আলমের ছেলে।

নিহতের ছোট বোন ইয়াসমিন আক্তার জানান, গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পর স্বামী আবদুল আলম ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে খাওয়ার সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ বাড়তে থাকে। কিছুক্ষণ পর তিনি পারভীনকে মারধর করেন। পরে পারভীন বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হলে তাঁর স্বামী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন। মরে যাওয়ার পর তিনি কাঁধে করে হাসপাতালে পৌঁছেছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত চলছে।

আর্থিক সংকটের প্রভাব

নিহতের ভাই সৌদি প্রবাসী কামাল উদ্দিন বলেন, তাদের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ছিল। কিছু সময় সহযোগিতা করেছিলেন, কিন্তু অভাবের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্ক ক্রমাগত বাড়তে থাকে। স্থানীয় ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পারিবারিক অভাব এবং দাম্পত্য বিরোধের ফলে ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া হয়। তবে প্রকৃত কারণ খুঁজতে তদন্ত চলছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করে। নিহত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার স্বামী আটক হওয়ার পর স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে সত্য নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত চলছে।

স্ত্রীকে হত্যার ঘটনার সংঘটন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশ তদন্ত গ্রহণ করছেন। স্বামী আবদুল আলমের কাছে প্রশ্নোত্তর দেওয়া হয়েছে এবং তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে

Leave a Comment