কেপ ভার্দের গোলরক্ষক বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচে রেকর্ড গড়েছেন
স প ন র স মন প – আটলান্টা স্টেডিয়ামে চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়েছেন কেপ ভার্দের আন্তর্জাতিক গোলরক্ষক জোসিমার জোসে ইভোরা দিয়াস। বিশ্বের শক্তিশালী স্পেন বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দলটি গোলশূন্য ড্র করে আফ্রিকার নবাগত দলকে চমক দেয়া হয়েছে। এই অবিশ্বাস্য ফলের পিছনে ছিলেন তার শেষ রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি ভোজিনিয়া।
আক্রমণের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান ভোজিনিয়া
স্পেন ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়েছিল, কিন্তু ভোজিনিয়া তাদের প্রতিশোধ করেছিলেন। ম্যাচের শুরুতে রদ্রি, পেদ্রি এবং গাভি এর পরিচিত নাম আক্রমণে আধিপত্য রেখেছিল স্পেন। কিন্তু কেপ ভার্দের রক্ষণভাগ শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে দৃঢ় প্রাচীর গড়েছিল।
প্রথমার্ধে স্পেন কয়েকটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। ফেরান তোরেসের জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলেও গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু তিনি দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেছিলেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লাপোর্তের হেড স্পেনের প্রত্যাশিত গোলের জন্য যথেষ্ট কাছাকাছি ছিল, তবে তার অপেক্ষাকৃত ছিলেন প্রাচীর।
ম্যাচ সমাপনের পূর্বে স্পেন পুরো ম্যাচে অন্তত ২৩টি শট নেয়, যার মধ্যে ৮টি ছিল লক্ষ্যে। বল দখলে প্রায় ৭৪ শতাংশ অগ্রগতি ছিল তাদের। কিন্তু ভোজিনিয়া গোলপোস্টে তাদের আক্রমণ বাড়তি করতে পারেনি। তিনি ম্যাচজুড়ে অন্তত ৭টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন এবং কয়েকবার আকাশে বল দখলের লড়াইয়ে সফল হন।
পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইস, মেরিনো ও কুকুরেয়ার শটগুলো একের পর এক ফিরিয়ে দেন তিনি। পরিসংখ্যানও তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের সাক্ষ্য দেয়। স্পেনের প্রত্যাশিত গোল (xG) ছিল ২.২৯, কিন্তু স্কোরবোর্ডে ছিল শূন্য। কেপ ভার্দের রক্ষণভাগ বিশ্বকাপে তাদের প্রতিপক্ষ রুখে দেওয়া কেবল তার জন্য একটি ঐতিহাসিক পয়েন্ট নয়, এটি বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমকও।
৪০ বছর ১২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছেন ভোজিনিয়া। চল্লিশোর্ধ্ব গোলরক্ষকদের মধ্যে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের তালিকাতে নাম রেখেছেন তিনি।
তার ব্যক্তিগত জীবন অসামান্য। শৈশবে দাদা-দাদির কাছে বড় হওয়ায় তার ডাকনাম ‘ভোজিনিয়া’ হয়েছে, যার অর্থ ‘ছোট দাদি/নানি’। কঠিন শৈশব, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তা পেরিয়ে তিনি ফুটবলে উঠে আসেন। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত শুধু ঘরোয়া লিগে খেলেছেন তিনি, পরে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জায়গা করে নেন।
আঙ্গোলা, সাইপ্রাস, মলদোভা ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন লিগে ঘুরে বেড়িয়েছেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। বড় তারকা না হলেও জাতীয় দলে প
