News

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পূজা উদযাপন পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ স বর ষ ট রমন ত র - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের

Desk News
Published June 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পূজা উদযাপন পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স বর ষ ট রমন ত র – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আট সদস্যের প্রতিনিধিদল সভাপতি বাসুদেব ধর এবং সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে এ সাক্ষাৎকে উপস্থিতি দেয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব স্থাপন করা হয়।

পরিষদের মূল দাবি

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। তিনি আহমদ মন্ত্রীকে অবহিত করেন যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা রাখার দাবি জানানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ দাবিটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং স্বার্থ সুরক্ষা সরকারের প্রাথমিক প্রাধান্য বিষয়। গত আওয়ামী সরকারের আমলে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কুমিল্লায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বর্তমান সরকারে তার হার সবচেয়ে কম। আইনগত ব্যবস্থা দিয়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনা দমন করা হয়েছে।”

আলোচনার সময় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হরিদাস চন্দ্র কর্তৃক রামমন্দির নির্মাণ এবং অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী কর্তৃক সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্য উত্থাপিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে বিচ্ছিন্ন বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। শান্তি ও ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সকল পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ আশা করা হয়।”

সম্প্রদায়গুলির সংযোগ বজায় রাখার প্রস্তাব

পরিষদের নেতৃবৃন্দ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আরও প্রসারিত পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করার জন্য আহ্বান জানায়। তিনি উল্লেখ করেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আরও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করা হয়।

আলোচনার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন যে গত আওয়ামী সরকারে ধর্মীয় অনুভূতি ভাঙার সম্ভাবনা ছিল। বর্তমান সরকার তা দূর করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, “আমাদের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে।”

সাক্ষাৎকালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায

Leave a Comment