Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Barbara Hernandez - patrikajournal.com

Foto : Barbara Hernandez - patrikajournal.com

সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ

Patrikajournal.com – সৎক জ র আদ শই অসৎক - পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা সর্বোত্তম জাতি। মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমরা মনোনীত। তোমরা মানুষকে সৎকাজে উৎসাহিত করবে এবং অসৎকাজে বিলক্ষণ করবে। আর আল্লাহর প্রতি আস্থা কেন্দ্রিক থাকবে। হায়! পূর্ববর্তী কিতাবিরা যদি সত্য মানে এবং কৃত্রিম করে না থাকত, তাহলে কত বেশি ভালো হতো। ওদের মধ্যে কিছু বিশ্বাসী আছে, কিন্তু বেশির ভাগই সত্যতা বিস্মৃত হয়ে যায় (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ১১০)।’

এই আয়াত দ্বারা আল্লাহ বান্দা কাউকে সৎ কাজ করার আদেশ দিয়েছেন এবং অসৎ কাজের বিরুদ্ধে নিষেধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে উম্মতে মুহাম্মাদির স্থান ও দায়িত্বের বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে। উম্মতে মুহাম্মাদি নিজেদের পছন্দ করে না, বরং তাদের নির্বাচন করেছেন আল্লাহ। এ নির্বাচন কোনও সাধারণ পদ্ধতি নয়, এটি তাঁর নিজের ইচ্ছায় ঘটেছে। নবী মুহাম্মাদ কারো মুখে মুখে কিংবা গণতন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়নি, বরং তিনি তাঁর বিশেষ মর্যাদা ও দায়িত্বের মাধ্যমে এ নির্বাচন করেছেন।

এ বিশেষ মর্যাদার জন্য তাঁকে সংঘবদ্ধ ভাবে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করতে হবে। সবাই একই সময় সৎ কাজ করার জন্য আদেশ দিতে পারে, কিন্তু সংঘের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছাড়া তা কার্যকর হবে না। তাই সমাজ সংস্থানের জন্য নিয়ম ও কার্যক্রম স্থাপন করা জরুরী। সংঘ সংগঠিত হয়ে উত্তম উম্মতের প্রতি পরিচয় ধরে রাখা সম্ভব হয়।

‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের এমন একটি সংঘ থাকা উচিত, যা সংঘবদ্ধভাবে মানুষকে সৎ কাজে উৎসাহিত করে এবং অন্যায় কাজে বিরতি দেয়। তাহলে তোমরা সফল হবে (সুরা আলেম ইমরান, আয়াত ৪)।’

মুফাসসিরগণ বলেন, মুমিন সমাজে সৎ কাজ করার আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ সরাসরি ফরজ হিসেবে স্থাপিত। তাই এটি কোনো সাধারণ নির্দেশ নয়, বরং অপরিহার্য কর্তব্য। এ কার্য কেবল উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য নয়, বরং পূর্ববর্তী উম্মতের জন্যও ছিল।

সুরা মায়েদাহের আয়াত ৭৮-৭৯ দেখা যায়, ‘বনি ইসরায়েলের কিছু ব্যক্তি সত্য অস্বীকার করেছিল। ওদের ইতোমধ্যে দাউদ ও মরিয়মপুত্র ঈসা দ্বারা অভিশপ্ত করা হয়েছিল। কারণ ওরা অবাধ্য ও দুষ্ট ছিল। অন্যায় কাজ দেখে ওদের কেউ বিরতি দেয়নি। ওদের কর্মপন্থা অত্যন্ত নিকৃষ্ট (সুরা মায়েদাহ, আয়াত ৭৮-৭৯)।’

এ আয়াত থেকে জানা যায়, অন্যায় দেখে বান্দারা চুপ থাকলে এটি কেবল কবিরাহ গুনাহ নয়, বরং নবীদের থেকে লানত পাওয়ার কারণ। অন্যায় হওয়া মানুষকে দেখে যদি কেউ প্রতিবাদ করে না, তাহলে সমাজের ধ্বংস সম্ভব হয�