হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে
হ দ হত য ম মল – হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পরিবর্তিত হয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ার পর হাদি নির্বাচনী প্রচার শেষ করেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী অটোরিকশা বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিগুলি তাকে গুলি করে হত্যা করে। আহত অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অপারেশনের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়, কিন্তু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গত ১৮ ডিসেম্বর মারা যান।
হত্যার ঘটনা ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া
হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। তদন্তে বলা হয় যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। এছাড়াও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে হাদির নির্বাচনী প্রচারে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অনুপ্রবেশ করেছিল বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
হাদি হত্যা মামলার সংক্ষিপ্ত পরিচয় প্রস্তাব গ্রহণের পর বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আদালত থেকে পুনঃতদন্ত আদেশ চাইছেন। গত ১৫ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
“হাদি হত্যা মামলার তদন্তে আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও তার দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্যগুলি বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করা হয়েছে যে হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে।”
অভিযোগপত্রে উল্লেখিত আসামিদের তালিকা
গত ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে গোয়েন্দা পুলিশ। মামলায় অভিযুক্ত হন সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জন। তদন্ত করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ও অন্যান্য কর্মকর্তারা। মামলার স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে আসামিদের নামগুলি বর্ণনা করা হয়েছে।
হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি হন ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগীদের নাম বর্ণনা করা হয়েছে। মো. হুমায়ুন কবির ও মা হাসি বেগম এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু ও স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া অভিযুক্ত হন। মামলায় আসামি হন মো. ফয়সাল, মো. আলমগীর হোসেন ও ফিলিপ স্নাল সহ ব্যক্তিদের নাম।
হাদি হত্যা মামলার সাথে যুক্ত একটি প্রতিবেদনে অস্ত্রগুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়াও মো. নুরুজ্জামান নোমানী �
