হামলায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু
হ মল য় আহত ব যবস য় – রূপগঞ্জে হামলার ঘটনায় আহত হওয়া ব্যবসায়ী রনি মিয়া (৩০) কর্মসূচির সমাপ্তির পর একটি গুরুতর আহত ব্যক্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। তিনি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার আয়েত আলীর ছেলে এবং তারাবো উত্তরপাড়ায় বসবাস করে আসছেন। হামলার ঘটনা গত ২১ মে ভোরে ঘটেছিল এবং সন্ত্রাসীদের দেশি অস্ত্র ব্যবহার করে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রাজধানীতে একটি বেসরকারি হাসপাড়ালে নেওয়া হয়। গতকাল সন্ধ্যায় তার মৃত্যু ঘটে। এই হামলায় আহত ব্যবসায়ী রনি মিয়া আজ পর্যন্ত চিকিত্সাধীন ছিলেন কিন্তু অবশেষে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
হামলার পরিস্থিতি ও আহতের অবস্থা
হামলার সময়ে আহত ব্যবসায়ী রনি মিয়া বিশেষ করে প্রতিক্রিয়া ছিল কিনা তা স্পষ্ট হয়নি। তবে তার আহত অবস্থার কথা বলা হয়েছিল যে তিনি গুরুতর রক্ত নালী এবং গুরুতর চোখের আঘাতে জখম হয়েছিলেন। তার বোন নাছরিন আক্তার রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন এবং সেই মামলার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি নিহতের পরিবার সদস্য হিসেবে সম্প্রতি সিলেট থানার সামনে সংবাদ সম্মেলনে গেলে তার কাছে পুলিশ তদন্ন জানানো হয়েছিল।
হামলার তদন্ন ও সম্ভাব্য কারণ
রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, “এ ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী রনি মিয়া মৃত হওয়ার পর স্থানীয় সাধারণ মানুষ খুব ভীত হয়েছে। হামলার ঘটনা ঘটার আগে তার সাথে কোন সংঘর্ষ বা বিবাদ ছিল কিনা তা খুব সত্য খুঁজে বের করা হচ্ছে।” পুলিশ তদন্ন অনুযায়ী তার বাড়ি বা কারখানা থেকে কোন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া হয়নি। তবে সন্ত্রাসীদের প্রতিক্রিয়া ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ তদন্ন অগ্রগতি ঘটছে। হামলার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে যে সেটি ব্যবসায়ী রনি মিয়ার কাছে কোন সামাজিক বিবাদ বা ব্যবসার প্রতিযোগিতা থেকে আসতে পারে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের বোন নাছরিন আক্তার রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন।’
পুলিশের তদন্ন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে কেন এই হামলা ঘটেছে সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আহত ব্যবসায়ী রনি মিয়া তার বাড়িতে কোন বিশেষ প্রতিক্রিয়া বা কার্যক্রম ঘটেছিল কিনা তা খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ তদন্ন চালু করেছে। হামলার ঘটনার পর তিনি অপরাজেয় নিক্ষেপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দিয়েছেন এবং তার স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিকট থেকে কোন সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে
