১২০০ কেজির ‘লাল বাদশাকে’ কিনলে ফ্রি ৩০ কেজির ‘সোহেলি’ | বাংলাদেশ প্রতিদিন
বাগেরহাটে বিশাল ব্রাহমা জাতের ষাঁড় পশুরহাটে স্থান পেল
১২০০ ক জ র ল ল ব – বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের বাগদিয়া গ্রামে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিশাল আকৃতির ব্রাহমা জাতের ষাঁড় ‘লাল বাদশাকে’ পশুরহাটে স্থান পেয়েছে। গরুটির ওজন ১২০০ কেজি এবং দাম প্রায় ১০ লাখ টাকা। ক্রেতার জন্য এই গরুটি ছাগলের উপর ভিত্তি করে ফ্রি হিসেবে ৩০ কেজির ‘সোহেলি’ প্রদান করা হচ্ছে। এটি বাগেরহাট জেলায় এমন একটি কৌতুক হিসেবে উঠে আসে যে কেউ কেউ স্থান নিয়ে অবাক হয়ে গেছেন।
খামারি মোশাররফ শেখ জানান, লাল বাদশাকে কিনতে অনেকে আগ্রহ দেখাচ্ছে। তিনি ক্রেতার নিকট বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এই গরুটি প্রদান করছেন যার দাম সাধারণ ছাগলের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি এই গরুটি আগে থেকেই নিয়মিত ক্রেতাদের আকৃতি ও গুণের দিক থেকে পরীক্ষা করেছিলেন। লাল বাদশাকে কিনতে কষ্ট হবে না, কারণ এটি কোরবানির প্রয়োজনে বিক্রি হবার জন্য সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, এই বৃহৎ গরুটি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত মুহূর্তে পছন্দমতো দাম পাবে।
বাগেরহাট জেলার সাধারণ খামারিদের প্রতিবেশী মশিয়ার রহমান জানান, লাল বাদশাকে কোরবানির জন্য আকর্ষণ জাগিয়েছে। প্রতিদিন অনেক মানুষ গরুটি দেখতে আসছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ শুধু সাদরে দেখছেন, কেউ কেউ প্রস্তাবও দিচ্ছেন। আমাদের প্রতিবেশী খামারি জানান, এই গরুটি বাগেরহাটের কোরবানির পশুরহাটে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে দিচ্ছে।
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ছাহেব জানান, মোশারেফ শেখ খামারি একজন উন্নত প্রাণিপালন কর্মী। তিনি এর আগে চার কিলোগ্রামের বেশি গরু তৈরি করেছেন। লাল বাদশাকে তৈরি করতে সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন এবং দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুকে বৃহৎ ভারী করেছেন। কোরবানির জন্য এই গরুটি ছাগলের উপর ভিত্তি করে বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিবেশীদের মতে, লাল বাদশাকে বিশেষ করে বাগেরহাটের মানুষদের আকর্ষণ করেছে। এটি যে কেন এমন দামে বিক্রি হচ্ছে তা এখন পর্যন্ত কেউ কেউ বুঝতে পারছেন না। খামারি মোশারেফ শেখ জানান, এই গরুটি ক্রেতাদের বৈশি�
