১ সেকেন্ডের জাদু থেকে গোলবন্যা! বিশ্বকাপের অপূর্ব রেকর্ড যা কখনো ভাঙা যায়নি
১ স ক ন ড র জ – ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস নানা অবিস্মরণীয় মুহূর্ত রেখে গেছে। তবে কিছু বিস্ময়কর কীর্তি এখনও নতুন করে কেউ ভাঙতে পারেনি। পাঠকদের জন্য সেইসব মুহূর্তের গল্প তুলে ধরা হলো, যেগুলো কখনো একটি দুর্দান্ত মুহূর্ত হিসেবে নিজেদের স্থান নিয়েছে এবং কখনো খেলোয়াড়ের বাস্তব সাধ্য নেই কারও স্বপ্নের মুহূর্ত। তার মধ্যে একটি সেই সাধ্য নেই কারও রেকর্ডের গল্প।
দ্রুততম গোল: যে কীর্তি কখনো ভাঙা হয়নি
বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের রেকর্ড আজও নতুন করে কেউ ভাঙতে পারেনি। ২০০২ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে তুরস্কের হাকান সুকুর দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গোল করার সময় মাত্র ১০.৮৯ সেকেন্ড ব্যয় করেছিলেন। সেই গোলের পর থেকে আধুনিক ফুটবলের যুগেও কেউ এটি ছাড়তে পারেনি। এটি বিশ্বকাপে এক সেকেন্ডের গোল হিসেবে পরিচিত।
সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ: দীর্ঘ ৭২ বছর অটুট রয়েছে
বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল রেকর্ডটি কখনো ভাঙা হয়নি। ১৯৫৪ সালে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১২ গোলের সামান্যতম বিস্ময় রয়েছে। সেই ম্যাচে অস্ট্রিয়া সুইজারল্যান্ডকে স্থানান্তর করে টিকিটে দীর্ঘ ৭২ বছর ধরে সেই রেকর্ডটি অটুট রয়েছে।
ব্যাটেল অব ন্যুরেমবার্গ: কার্ডের গোলবন্যা
২০০৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগাল বনাম নেদারল্যান্ডসের ম্যাচটি ইতিহাসে কুখ্যাত হয়ে আছে। সেই ম্যাচে রাশিয়ান রেফারি ভ্যালেন্টিন ইভানভ দুই দলকে মোট ২০টি কার্ড (১৬টি হলুদ ও ৪টি লাল কার্ড) দেখিয়েছিলেন। সেই পর্বে বিশ্বকাপে কার্ডের গোলবন্যা নিয়ে সর্বাধিক প্রতিক্রিয়া ছিল।
সর্বোচ্চ একক খেলোয়াড় গোল: জাস্ট ফন্তেইনের মহাযজ্ঞ
১৯৫৮ সালে সুইডেনের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্তেইন এক আসরে মাত্র ৬ ম্যাচে ১৩ গোল করে বিশ্বকাপের রেকর্ড গড়ে তুলেছিলেন। তার কীর্তি সামনে নিয়ে এখনও কেউ তার পার হয়নি। এটি সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি যে কখনো বিশ্বকাপে কেউ ছাড়তে পারেনি।
১ সেকেন্ডের গোল থেকে মাঠে ময়দানে: বিশ্বকাপের অপ্রতিহত সামগ্রীক রেকর্ড
১ সেকেন্ডের গোল থেকে মাঠে ময়দানে এমন কিছু অবিশ্বাস্য সামগ্রীক কীর্তি রয়েছে যা আধুনিক ফুটবলের যুগেও নতুন করে ছাড়া হয়নি। ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো ক্যামেরুনের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৫ গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়ে তুলেছিলেন। এটি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের অপ্রতিহত সামগ্রীক কীর্তি হিসেবে পরিচিত।
বিশ্বকাপের অপূর্ব রেকর্ডগুলো সব সময় প্রতিযোগিতার পরিচয় দিয়েছে। যেমন মাঠে ময়দানে ৪ মিনিট আগে খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে এবং পূর্ব-পশ্চিম ১৬ মিনিট আগে অনুষ্ঠানের সময়সূচি অবিচ্ছিন্ন রয়েছে। এই সব রেকর্ড আমাদ
