৩৫০ পণ্যে শুল্ক কমছে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
৩৫০ পণ য শ ল ক কমছ – আগামী বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের আমদানি শুল্ক সাধারণত একটি স্বাধীন করনীতি প্রবর্তনের মাধ্যমে কমানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন সাথে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিকে উৎসাহিত করতে নতুন শুল্ক স্তর এবং এইচএস কোড চালু করার পরিকল্পনা প্রস্তুত। আসন্ন জাতীয় বাজেটে ব্যবসাবান্ধব করব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর নতুন পরিকল্পনা আনা হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাত সমর্থনে সরকারের পদক্ষেপ
নতুন শুল্ক সংস্কারের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানোর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বলা হয়েছে প্রায় ৩৫০টি পণ্যে শুল্ক হ্রাস করা হবে এবং সেই সাথে বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানির সুবিধা দেওয়া হবে। পরিকল্পনায় এই শুল্ক সংস্কার জাতীয় শুল্কনীতি এবং ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে গৃহীত হয়েছে।
“আমদানিনির্ভর শিল্প খাত দীর্ঘদিন ধরে শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি জানিয়ে আসছিল। উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাই শুল্ক হ্রাস শিল্প জন্য সমর্থনকারী হবে,” বলেন পলিসি এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ।
পরিকল্পনায় আরও বিবেচনা করা হয়েছে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান অযৌক্তিক প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে না পারে। শুল্ক হ্রাসের আওতায় বিভিন্ন পণ্যের যেমন ভোক্তা পণ্য, মসলা, কম্পিউটার এবং মনিটর এমনকি সৌরশক্তি সরঞ্জাম সমাপ্ত হবে। কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে পরিকল্পনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
ভ্যাট ব্যবস্থার পরিবর্তন
আসন্ন অর্থবছরে ভ্যাট ব্যবস্থাপনার বড় পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া হয়, কিন্তু নতুন বছর থেকে তা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে উৎসে কর পয়েন্ট কমানোর সুযোগ রয়েছে।
“বড় কোম্পানিগুলো ভ্যাট ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা কর্মকর্তা রাখতে পারে, কিন্তু ছোট ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। ত্রৈমাসিক রিটার্ন ব্যবস্থা তাদের জন্য সহায়ক হবে,” বলেন পুরান ঢাকার হার্ডওয়্যার ব্যবস
