Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার

Patrikajournal.com – ৫ ক র গ এলএনজ আমদ ন - ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট চালু হয়েছে, যা দেশের বিদ্যুৎ ও পেট্রোলিয়াম বিপণিতে উল্লেখযোগ্য বিপাক সৃষ্টি করেছিল। এই কার্গোগুলির মধ্যে সুইজারল্যান্ড থেকে ২ কার্গো, যুক্তরাজ্য থেকে ২ কার্গো এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১ কার্গো আমদানি করা হবে। এই পরিমাণ এলএনজি দেশের জ্বালানি আকাঙ্ক্ষার কিছু অংশ পূরণের জন্য ব্যবহার করা হবে। যদিও সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি করা দুই কার্গো জন্য ব্যয় চূড়ান্ত হয়নি।

বৈঠকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে

২৬ জুন সালে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এই জরুরি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করা হয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকার তিনটি কার্গো এলএনজি নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি সংগ্রহ করবে। সিঙ্গাপুর ভিত্তিক বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড কর্তৃক ২৬তম এবং ২৭তম কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে, যার জন্য সময় পূর্ববর্তী নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬-২৭ জুন এবং ৩০ জুন-১ জুলাই পর্যন্ত। বাকি দুই কার্গো যুক্তরাজ্য ভিত্তিক টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড কর্তৃক পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশের সরকার এই পরিমাণ এলএনজি আমদানি করার মাধ্যমে প্রতিদিন বিদ্যুৎ প্রস্তুতকরণ ক্ষমতা পূর্ণ করার চেষ্টা করছেন। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার সময় দেশের জ্বালানি আমদানি উপর অপরিহার্য ভার পড়েছিল। তখন থেকে সরকার বিকল্প উপায় খুঁজে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশিলতা বজায় রাখার জন্য এলএনজি আমদানি করছেন। এই পরিকল্পনা দেশের জ্বালানি প্রয়োজনের কিছু অংশ পূরণ করবে এবং স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে।

এলএনজি আমদানির বিস্তারিত তথ্য

বাংলাদেশের সরকার নিয়ম অনুযায়ী এই তিনটি কার্গো এলএনজি আমদানি করছেন। এই পরিমাণ দেশের সম্পূর্ণ জ্বালানি আকাঙ্ক্ষার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও প্রথম দুই কার্গো সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি করা হয়েছে, কিন্তু সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা এক কার্গো দেশের প্রয়োজনের বিষয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক ব্যয় ঘটিয়েছে। বর্তমানে এই কার্গোগুলি আমদানি করা হচ্ছে তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অর্থনৈতিক ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালের জ্বালানি আমদানি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকা। এই সংখ্যা সরকারি আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। এলএনজি আমদানির সাথে সরকার প্রতিদিন আকাঙ্ক্ষার বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া খুঁজছেন। যে কার্গোগুলি সময়ে বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছাবে, সেগুলি স্থানীয় জ্বালানি গৃহীত হবে এবং একটি প্রতিষ্ঠিত আর্থিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এলএনজি আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সরকার প্রতিদিন পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই কার্গোগুলি প্রত