৭৮৪ জেলে পরিবারকে সহায়তা করল এআইবিএল
উপকূলীয় এলাকার জেলেদের সহায়তা প্রকল্প
৭৮৪ জ ল পর ব রক সহ – আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি (এআইবিএল) গত ৬ জুন পর্যন্ত সমুদ্র সমুদ্র জলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের ৭৮৪ জন নিবন্ধিত জেলেকে পরিবারের জন্য আয়ের আধা ভাগ প্রদান করেছে। এ প্রকল্প মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের মৎস্য জীবিকার উপর প্রতিক্রিয়া হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি জেলে পরিবার সম্পর্কে এআইবিএল সমৃদ্ধ উপকারিতা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে, যার ফলে তাদের প্রাপ্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত সপ্তাহে সরকার মৎস্য সম্পদের স্বার্থে জেলেদের সাময়িক অসুবিধা সহন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাদের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ব্যাংক সমর্থন ছাড়া আয়ের ক্ষতি পূরণ করা হয়েছে। এআইবিএল এই প্রকল্পে সরাসরি সহায়তা প্রদান করেছে, যা উপকূলীয় এলাকার জেলেদের স্থায়ি কষ্ট দূর করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
মৎস্য জীবিকার ক্ষতি এবং সহায়তা প্রক্রিয়া
সমুদ্র জলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করার কারণে উপকূলীয় এলাকার সব জেলে বা মৎস্যজীবীর একমাত্র আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এ সংক্রান্ত অবস্থায় তাদের পরিবারগুলো তৃণমূল পর্যায়ে অস্থায়ী কষ্ট সামাল দিতে বাধ্য হয়েছে। কক্সবাজারে সাহায্য বিতরণ শুরু হয়েছিল গত ৩ জুন, যা বরিশালের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পে এআইবিএল ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যার সাহায্যে জেলেদের স্থায়ি সাহায্য পেয়েছে।
প্রতিটি জেলে পরিবারের জন্য প্রদান করা হয়েছে প্রায় ৭৯ লাখ টাকা। এ সমর্থনের ফলে তাদের পরিবারের বাস্তব ক্ষতি কম করা হয়েছে। এআইবিএল এ কার্যক্রম পরিচালনার পর এ সময়ে উপকূলীয় জেলেদের জীবিকা নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রস্তাব দিয়েছে।
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. রাফাত উল্লা খান বলেন, ব্যাংক মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। উপকূলীয় এলাকার জেলেরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে, যার উপর দীর্ঘ সময়ে সম্পদ ক্ষতি হচ্ছে।
বর্তমানে এআইবিএল প্রথম পর্যায়ে উপকূলীয় এলাকার জেলেদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সহায়তা করেছে। এটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র প্রকল্প হিসেবে চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে জেলেদের আয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। নোয়াখালীর হা�
