Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৯২ লেভেল ক্রসিং, ৬০টিই অরক্ষিত | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

৯২ লেভেল ক্রসিং, ৬০টি অরক্ষিত

Patrikajournal.com – ৯২ ল ভ ল ক রস ৬০ট - বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার একটি প্রধান রেল পথে মোট ১২২টি লেভেল ক্রসিং অবস্থিত, যার মধ্যে কেবল ৯২টি অনুমোদিত এবং বাকি ৩০টি অনুমোদনহীন। বর্তমানে অনুমোদিত ক্রসিংগুলোর মধ্যে কেবল ৩২টিতে গেটম্যান রয়েছেন, বাকি ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার আশংকা থাকায় প্রতিদিন নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশ জানায়, গেটম্যান না থাকায় বিশেষ করে ক্রসিং অরক্ষিত থাকায় এ জেলায় তিন মাসে চার জন ট্রেনে কাটা পড়ে জীবন হারায়। ক্রসিং কাটা দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা সামান্য নয়, এটি লোকের প্রতি গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

সামাজিক ও আর্থিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে

এই রেলপথটি লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ মহাসড়ক ব্যবহার করে। সড়কে গেটম্যান না থাকার কারণে যানবাহন ও পথচারীদের বিপদের আশংকা অপরিহার্য। বিশেষ করে ভারী যানবাহন, যেমন ট্রাক, ট্রলি ও ভ্যান, ক্রসিং অতিক্রম করতে হয় অনুমোদনহীন ভাবে। সেখানে এক সময় দুর্ঘটনার আশংকা থাকায় সাধারণ মানুষ আরও বেশি জীবনের হারানোর আপত্তি বোধ করছে। সাইফুল ইসলাম জানান, তাদের দাবি অনুসারে গেটম্যান নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু রেল বিভাগ এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

লেভেল ক্রসিংয়ে অগ্রগতি হয় না বলে কাজিরহাট ও সুকানদীঘি সড়ক এবং মহাসড়কের নামুড়ী রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত ক্রসিংগুলো বিশেষ করে গুরুতর সমস্যার কারণ। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার সাথে সাথে সেখানে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। আর্থিক কারণে বৈধ ও অবৈধ ক্রসিংগুলোতে গেটম্যান নিয়োগ করা হয় না। ফলে ক্রসিংয়ে যানবাহন আসার সময় ট্রেন যেতে থাকে না, সাধারণ মানুষ দুর্ঘটনার আশংকা মুক্ত হতে পারে না।

‘সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আমাদের জানানো হয়েছে সেখানে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কেবল একটি প্রশ্ন নয়, এটি নিয়মিত ঘটনা,’ রতন মিয়া বলেন। তিনি দাবি করেন লেভেল ক্রসিংগুলো কাটার জন্য নিয়মিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাই। তার কথায়, এ ক্রসিংয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আর্থিক সমস্যা আর সুযোগ বিপর্যয় দুজনের জন্য পরিষ্কার সুরক্ষা না হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

রেলওয়ে বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী শিপন আলী বলেন, ‘গেটম্যান না থাকার কারণে সাধারণ ক্রসিংয়ে যানবাহন অতিক্রম করে থাকে। কিন্তু আমরা সতর্কতা নোটিস দেওয়া হয়েছে। একটি ক্রসিং কাটা সম্পূর্ণ অগ্রগতি হয়নি, বরং এ বিষয়ে পরিষ্কার পরিকল্পনা করা হয়নি।’ তিনি জানান কোনো সময় ক্রসিং কাটার জন্য অর্থ নেই এবং তারা গুরুতর সমস্যা বোধ করছেন।

লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলপথটি পাঁচটি উপজেলাকে সংযুক্ত করে এবং বুড়িমারী এক্সপ্রেস ও করতোয়া ট্রেন সহ চারটি আন্তর্জাতিক ট্রেন এখানে চলাচল করে। ক্রসিং অরক্ষিত থাকায় কোনো ক্ষেত্রে ট্রেন যাওয়