Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কাপড়ের রং

Published October 15, 2026 · Updated October 15, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

Patrikajournal.com – ক পড় র র - কুমিল্লার ‘শেফা ব্রেড অ্যান্ড বেকারি’ নামের প্রতিষ্ঠানে আকস্মিকভাবে অভিযান চালিয়েছিল জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তাতে যা হওয়ার তা–ই হয়েছে। দুটি ঘটনা ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বেকারিতে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং দিয়ে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট নকল করে পাউরুটি বাজারজাত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। ৪০ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হয়েছে তাদের, মুচলেকা দিতে হয়েছে ভবিষ্যতে এসব ‘দু নম্বরি’ করা হবে না। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লা নগরীর আদর্শ সদর উপজেলার চাপাপুর এলাকায়। আদর্শ সদর উপজেলায় এ রকম আদর্শবর্জিত কাজটি করে শেফা ব্রেড অ্যান্ড বেকারি বুঝিয়ে দিল, তাদের কাজেকর্মে আদর্শ না থাকলেও মুনাফা ভালো থাকায় বেআইনি কাজ করতে কোনো সমস্যাই হয়নি। কে জানত, এভাবে বেরসিকের দল এসে তাদের দু নম্বরি ধরে ফেলবে! তবে প্রতিষ্ঠানটি সান্ত্বনা পেতে পারে এই ভেবে যে নকল আর ভেজালের রাজত্বে তারা একা নয়। যে যেভাবে পারছে ভেজাল মেশাচ্ছে। কাঁচাবাজারে গেলে দেখা যায়, নদীর মাছ বলে বিক্রি হচ্ছে চাষের মাছ, দেশি মাগুর বা শিংয়ের কথা দিব্যি দিয়ে বলে বিক্রি হচ্ছে চাষের শিং-মাগুর, বিশাল বিশাল সব মাছ বিশাল দামে কিনে রান্নার পর দেখা যায় স্বাদহীন! চারপেয়ে প্রাণীর মাংসের দোকানে গরু-ছাগল-মহিষ-ভেড়া-পাঁঠা সব একাকার হয়ে আছে। কিন্তু জিজ্ঞেস করলে খাঁটি ষাঁড় আর খাসির মাংস ছাড়া অন্য কিছুই পাবেন না। মুরগির বাজারের কথা আর নতুন করে বলার কিছু নেই। একে তো আকাশচুম্বী দাম, তার ওপর ভেজাল কিংবা নকল মাল!

মানুষ যাবে কোথায়? এই বাস্তবতা থেকেই হয়তো শেফা ব্রেড অ্যান্ড বেকারি শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং ব্যবহার করছে তাদের তৈরি বিস্কুট আর অন্যান্য খাদ্যপণ্যে। রং মেশানোর বিষয়টা নিয়েই কিছু কথা বলা যায়। শুরুতেই বলে দেওয়া ভালো, শিল্পজাত রঞ্জকে থাকে বিষাক্ত রাসায়নিক। খাবারের দোকান রয়েছে যাঁদের, তাঁরা সবাই জানেন, খাবারের জন্য নির্দিষ্ট রং রয়েছে। সেগুলোই ব্যবহার করতে হয়। তাতে ভোক্তার শরীর ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যায়। কিন্তু মুনাফা বাড়ানোর আশায় এই ভেজাল মিশিয়ে ভোক্তার শরীরের ক্ষতি করছেন যাঁরা, তাঁদের বিচার শুধু ৪০ হাজার টাকা জরিমানায় সীমাবদ্ধ থাকলে ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো হবে। যে পরিমাণ মুনাফা তাঁরা করেন, তাতে কখনো কখনো এই সামান্য টাকা শোধ করে চাইলে আবার পুরোনো ‘ধান্ধায়’ ফিরে যেতে পারেন তাঁরা। তাঁদের কে বোঝাবে, এই রঞ্জক বা রঙের কারণে লিভার আর কিডনি ঝুঁকির মুখে পড়ে? তাঁদের কে বোঝাবে, এতে ক্যানসারের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়?

তাঁদের কে বোঝাবে, বমি, ডায়রিয়া, পেটেব্যথার কারণ হতে পারে এই রং? এই অশনি কাটানোর জন্য খাদ্যপণ্যের নিয়মিত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, আকস্মিক অভিযান, অপরাধীর জবাবদিহি এবং জনসচেতনতা প্রয়োজন। এই চারটি বিষয়ের সমন্বয় না হলে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোটেই কমবে না। সেদিকে নজর দেওয়া হোক।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ক পড় র র?

ক পড় র র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক পড় র র matter?

ক পড় র র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.