Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভারতে হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, কেন নেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান

Published September 3, 2026 · Updated September 3, 2026 · By Jessica Martinez - patrikajournal.com

Foto : Jessica Martinez - patrikajournal.com

নারী ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়: ২০২৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজক ভারত

Patrikajournal.com – ভ রত হচ ছ চ য ম - বিশ্বের সেরা ছয় নারী ক্রিকেট দলকে এক ছাতিতে আনার স্বপ্ন এবার বাস্তবায়িত হবে ভারতের মাঠে। ২০২৭ সালের নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি — যা আগামী বছরই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা — তার আয়োজক হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) গতকাল প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। একই বিজ্ঞপ্তিতে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ছয় দলের পরিচিতি ও দুটি ভেন্যুর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার হারানো আয়োজকস্বত্ব

মূলত এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হওয়ার কথা ছিল শ্রীলঙ্কার। তবে দেশটির ক্রিকেট প্রশাসনে সরকারি হস্তক্ষেপের প্রেক্ষাপটে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) আয়োজকস্বত্ব হারিয়েছে। আইসিসির নীতি অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো প্রশাসনকে সংস্থা স্বীকৃতি দেয় না। রূপান্তরকরণ কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসএলসির প্রতিনিধিরা আইসিসি বোর্ড সভায় অংশ নিচ্ছেন না। বোর্ডের নির্বাচনী প্রক্রিয়াও এই কমিটির দায়িত্বকালীন সময়ের জন্য স্থগিত রয়েছে।

রূপান্তরকরণ কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সংবিধান সংশোধন। দেশটির আইন অনুযায়ী এসব পরিবর্তন কেবল সংসদের মাধ্যমে সম্ভব। ফলে প্রশাসনিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং আইসিসি ইভেন্টের আয়োজনে তা সরাসরি প্রতিফলিত হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কা টুর্নামেন্টে থাকছে দল হিসেবে

আয়োজকস্বত্ব হারানোর পরও শ্রীলঙ্কা এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে। কারণ, নারী টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিং-এর প্রথম ছয় দলই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলবে। ৬ জুলাই কাট-অফ ডেটে র‍্যাঙ্কিং-এর ছয় নম্বরে অবস্থান করায় লঙ্কানরা এই সুযোগ পেয়েছে। বাকি পাঁচ দল হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অবস্থান

প্রায় দুই মাস আগের আইসিসি র‍্যাঙ্কিং-এ টি-টোয়েন্টি বিভাগে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল যথাক্রমে আট ও দশ নম্বরে। সাম্প্রতিক হালনাগাদেও এই দুই দলের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। মূলত বাংলাদেশও নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজকের জন্য বিবেচনাধীন ছিল। আইসিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত — এই তিন দেশকে মূল্যায়নের ধাপে রাখা হয়েছিল। গত পরশু আইসিসি বোর্ড ভারতকে আয়োজনের অনুমতি প্রদান করেছে।

টুর্নামেন্টের সময় ও ভেন্যু

আগামী বছরের ১৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে অনুষ্ঠিত হবে নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম মৌসুম। দুটি ভেন্যু নির্বাচিত হয়েছে: মুম্বাইয়ের ব্র্যাবোর্নে অবস্থিত ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিা এবং ভাদোদারা। ব্র্যাবোর্নে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, যখন ভারতীয় নারী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল। ২০২৩ সালে স্টেডিয়ামটি নারী প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) প্রথম মৌসুম আয়োজন করেছিল। ২০২৫ ডব্লিউপিএলেও এখানে কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাদোদারাতেও ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ডব্লিউপিএলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আইসিসি চেয়ারম্যানের বক্তব্য

২০২৭ নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মেয়েদের ক্রিকেটের জন্য রোমাঞ্চকর এক নতুন অধ্যায়ের শুরু করবে। প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বিশ্বের সেরা দলগুলোকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উচ্চমানের একটি প্রতিযোগিতা উপহার দিতে পারবে।

এই বক্তব্য দিয়েছেন ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহ।

শ্রীলঙ্কার পুনরাবৃত্তি: তিন বছরে দ্বিতীয়বার

এই ঘটনা তিন বছরের মধ্যে শ্রীলঙ্কার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো আইসিসি ইভেন্টের আয়োজকস্বত্ব হারানোর অভিজ্ঞতা। ২০২৩ সালে বোর্ড সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে ২০২৪ সালের ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপও শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নিয়েছিল। সেই টুর্নামেন্ট দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আয়োজকস্বত্ব হারানোর সঙ্গে সঙ্গে নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকেও বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। কারণ, ৩০ আগস্টের র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিং-এ ছয় ও সাত নম্বরে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা। গতকাল হালনাগাদের পর এক ধাপ এগিয়ে শ্রীলঙ্কা ছয় নম্বরে উঠে এসেছে, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ নেমে গেছে সাত নম্বরে। যদিও দুই দলেরই সমান ২৩১ রেটিং পয়েন্ট রয়েছে।

নারী ক্রিকেটের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট

নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় একদিনের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর একটি। পুরুষদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির নারী সংস্করণ হিসেবে এটি বিশ্বের শীর্ষ দলগুলোকে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামানোর সুযোগ তৈরি করে। প্রথম মৌসুমের আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তিন দেশের মূল্যায়ন এবং শেষ পর্যন্ত ভারতের নির্বাচন ইঙ্গিত দেয় যে আইসিসি প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও ভেন্যু-প্রস্তুততা — এই দুই মানদণ্ডকে একসঙ্গে বিবেচনা করেছে। ব্র্যাবোর্ন ও ভাদোদারা উভয় ভেন্যুই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডব্লিউপিএল ম্যাচ আয়োজনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্টের লজিস্টিক প্রস্তুতির জন্য প্রাসঙ্গিক।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ভ রত হচ ছ চ য ম?

ভ রত হচ ছ চ য ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ভ রত হচ ছ চ য ম matter?

ভ রত হচ ছ চ য ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.