ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন: সম্মেলনের মূল কথা কী?
ট র ম প র পরপরই – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে আসেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ক্রমবর্ধমান সম্মেলন বিশ্লেষকদের মতে বৈঠকের মূল এজেন্ডা হলো চীন ও রাশিয়ার মধ্যে শক্তি সম্পর্কের বিস্তার। ট্রাম্প ও পুতিনের সাম্প্রতিক সংস্থান কূটনৈতিক সম্পর্ক গঠনে নতুন মুহূর্ত সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে এই দুই নেতা মিলিত হয়ে বৈশ্বিক কূটনৈতিক বার্তা প্রেরণ করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া চীনের সাথে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।
প্রাথমিক মূল কথাগুলো কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন পুতিন এবং সম্মেলনে ক্রমশ বিশ্ব কূটনীতিতে চীন ও রাশিয়ার প্রাথমিক মুল কথা হলো অর্থনীতিগত সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানের সম্ভাবনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার অর্থনীতি এখন চীনের জ্বালানি সরবরাহের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করছে। যেমন, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে বিশেষ আলোচনা হতে পারে। এই প্রকল্প দ্বারা রাশিয়া থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস চীনে আমদানি করা সম্ভব।
“রাশিয়া এখন চীনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যেহেতু পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা তাদের অর্থনীতির মার্গ বদলে দিয়েছে।” – বিশ্লেষক আলেকজান্ডার গাবুয়েভ
অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনের সূত্র
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন পুতিন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী সম্পর্কে এই সম্মেলন একটি বৈশ্বিক সংগ্রাম আকার ধারণ করছে। ইউক্রেন যুদ্ধ ছাড়াও ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র ছিল যে চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক কম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রাশিয়ার অভিযোগ, চীন পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের সক্ষমতা টিকিয়ে রাখছে।
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন পুতিন এবং সম্মেলনে বিষয়গুলো বিস্তারিত হবে। প্রধান কথাগুলো হলো সংযুক্ত রাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্ক গঠন এবং চীনের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আরও বৃদ্ধি। অর্থনৈতিক সমস্যা ও বৈদেশিক বাণিজ্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণ হিসেবে ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন পুতিন এখন একটি অনুমান করা যাচ্ছে যে �
