News

অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1779561176-ac8ef1a0a9b39444db2eaad37a9000a9

অপরূপ সুন্দর বাস্তবে মৃত্যুফাঁদ

Patrikajournal.com – অপর প স ন দর ব স – ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হলো নির্দিষ্ট পথ থেকে বেরিয়ে অপরূপ সৌন্দর্যের খুঁজে বের হওয়া। সাধারণ মানুষের জন্য পরিচিত নয় কিছু অনন্য স্থান খুঁজে পাওয়া সে কারণে একটি প্রাকৃতিক আকর্ষণ। কিন্তু কখনো কখনো এ প্রবণতা বিপরীত হতে পারে। পৃথিবীতে এমন সব স্থান অনেক কারণে অপরিসীম ঝুঁকির সম্মুখীন হয়ে থাকে; যেমন অপরাধ প্রবণতা, পরিবেশ ক্ষতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা মানুষের তৈরি কোনো বিপর্যয়ের কারণ।

সিউদাদ জুয়ারেজ: শহর হিসেবে সৌন্দর্যের কথা ছিল, কিন্তু আবার সামনে মৃত্যু সড়ক

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অবস্থিত সিউদাদ জুয়ারেজ আগে পর্যটকদের আকর্ষণ করেছিল তার অনন্য স্থানীয় সৌন্দর্যের কারণে। কিন্তু বর্তমানে এটি হয়ে গেছে মৃত্যু সড়কের প্রতীক।

২০০৮ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে সে শহরে সহিংসতা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছিল। সেই সময়ে হাজার হাজার হত্যার ঘটনা দৃষ্টিগোচর হয়। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠায় শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে সহিংস শহরের পদক্ষেপ পেয়েছিল।

বর্তমানে জুয়ারেজ কার্টেল এবং সিনালোয়া কার্টেলের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জন্য সে ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না। যে সড়কটি লা পাজ শহরের সঙ্গে কোরোইকোর সংযোগ রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটি এখন রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকদের নতুন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে কিন্তু সে সাথে চরম বিপদের পরিচয়ও ছিল।

ইতিহাসের পাতা ওল্টালে জানা যায়, ১৯৩০-এর দশকে প্যারাগুয়ের যুদ্ধবন্দিদের দিয়ে এই রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল অমানবিক ভাবে।

ডেথ ভ্যালি: আবহাওয়ার সঙ্গে সাথে সবচেয়ে বিপজ্জনক বাস্তব

নামের মতোই এই উপত্যকার প্রতিটি বালুকণায় চরম বিপদ লুকিয়ে আছে। গ্রীষ্মকালে এখানে বাতাস যেন আগুনের হল্কা ছড়ায়। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো এখানে তাপমাত্রা আরও বেশি পৌঁছে যেতে পারে যে কোনো ক্ষেত্রে। পর্যাপ্ত পানি ছাড়া তীব্র পানিশূন্যতা এবং হিটস্ট্রোক হতে পারে।

ডেথ ভ্যালি কেবল আমেরিকার নয়, বরং সমগ্র পৃথিবীর সর্বোচ্চ উত্তপ্ত স্থান। বর্তমানে এখানে নথিবদ্ধ ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ বায়ু তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৫৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস)! সে পরিস্থিতির মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুটের বেশি উঁচুতে তৈরি হয়েছিল সেই শুষ্ক তপ্ত বালুচর। সেই সড়কে এখন আকস্মিক পাহাড়ি ঢল হিসেবে পরিচিত।

পাহাড়ে সামান্য বৃষ্টিপাত হলে সে সরু গিরিপথ বা ক্যানিয়নগুলোতে তীব্র বেগে কাদার স্রোত ধেয়ে আসতে পারে। সেই মাটির সংঘর্ষে মৃত্যু হতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *