News

থাইরয়েডে টিউমার মানেই ক্যান্সার নয়, দরকার সচেতনতা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

থাইরয়েডে টিউমার মানেই ক্যান্সার নয়, দরকার সচেতনতা থ ইরয় ড ট উম র ম - বিশ্ব থাইরয়েড সচেতনতা দিবস প্রতি বছর মে মাসের ২৫ তারিখে পালন করা হয়। এই দিবসে গলার

Desk News
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

থাইরয়েডে টিউমার মানেই ক্যান্সার নয়, দরকার সচেতনতা

থ ইরয় ড ট উম র ম – বিশ্ব থাইরয়েড সচেতনতা দিবস প্রতি বছর মে মাসের ২৫ তারিখে পালন করা হয়। এই দিবসে গলার গ্রন্থি সম্পর্কে জনসাধারণের জ্ঞান বৃদ্ধি করা হয় এবং চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। যারা গলায় কোনো ফুলা বা চাকা দেখে এটি ক্যান্সার হতে পারে বলে ভাবেন, তাদের মধ্যে বিশেষ করে থাইরয়েড নডিউল বা গলগণ্ড ধরনের টিউমার নিয়ে ভীতি ও ভুল ধারণা অনেক বেশি।

সঠিক চিকিৎসার গুরুত্ব

বিশেষজ্ঞদের মতে যদি টিউমারের সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা হয়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগ সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা সম্ভব। গলায় কোনো ফুলা দেখা দিলে আতঙ্ক নয়, কিন্তু কিছু লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

ক্যান্সারের ঝুঁকির লক্ষণগুলো

আতঙ্ক করা যেতে পারে যদি কোনো লক্ষণ নজরে আসে—

১. টিউমারের দ্রুত আকার বৃদ্ধি পাওয়া। গলার ফুলা বা চাকাটি অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত বড় হতে থাকে তাহলে সতর্কতা প্রয়োজন। ২. টিউমার শক্ত হয়ে আসা। হাতে ধরলে যদি অংশটি খুব শক্ত অনুভূত হয় অথবা আশপাশের চামড়া ও মাংসপেশিতে আটকে থাকে, তা আপত্তির প্রতিশ্রুতি হতে পারে। ৩. কণ্ঠস্বর পরিবর্তন। ঠান্ডা বা অন্য কারণ ছাড়া হঠাৎ করে গলার স্বর বদলে যাওয়া, কর্কশ হয়ে যাওয়া অথবা ফিসফিসে শোনার জন্য কয়েক সপ্তাহ ধরে কোনো পরিবর্তন থাকে তবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। ৪. খাবার গিলতে অসুবিধা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। বড় টিউমার খাদ্যনালী বা শ্বাসনালীর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। ৫. গলার পাশে নতুন গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া। থাইরয়েড এবং গলার পাশাপাশি কোনো নতুন গোটা বা লিম্ফ নোড বৃদ্ধি পেলে ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকতে পারে।

তুলনামূলক ঝুঁকির ব্যক্তি

ক্যান্সারের সম্ভাব্য ঝুঁকি দেখা দেয় যাদের ক্ষেত্রে—

ক) ১৬ বছরের কম বা ৫৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি এবং পুরুষ রোগী। খ) অতীতে ঘাড় বা গলার অংশে রেডিয়েশন প্রাপ্ত করেছেন।

নির্ণয়ের পদক্ষেপ

টিউমার ভালো না ক্যান্সার তা নির্ণয় করতে হলে কিছু পরীক্ষা প্রয়োজন। যেমন—

১) গলার অংশে উল্ট্রাসনোগ্রাফি (USG) করা হয় টিউমারের গঠন বুঝতে। ২) সুই মাধ্যমে সামান্য কোষ সংগ্রহ করে ফাইন নাইলড এসিপ্সিয়ন সাইটোলজি (FNAC) পরী

Leave a Comment